রাজ্যে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ছে। আরও ৪৬৬০টি অতিরিক্ত বুথ তৈরি করার অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে মোট বুথের সংখ্যা ৮০৬৮১। অতিরিক্ত বুথগুলি তৈরি হয়ে গেলে সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ৮৫৩৭৯। এ ছাড়াও কিছু বুথের স্থান পরিবর্তন হবে বলে জানা গিয়েছে।
কমিশন সূত্রে খবর, যে সমস্ত বুথে ভোটারের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত সহায়ক বুথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তেমনই ৪৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির অনুমতি দিয়েছে কমিশন। এ ছাড়া, ভোটারদের সুবিধার্থে ৩২১টি বুথ অন্যত্র সরানো হচ্ছে।
ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করার অনুমতি দিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরে শুক্রবারই চিঠি দিয়েছে দিল্লির নির্বাচন সদন। বলা হয়েছে, নতুন বুথ তৈরির ক্ষেত্রে কমিশনের যে সমস্ত নিয়মকানুন রয়েছে, তা কঠোর ভাবে মানতে হবে। ২০২০ সালের নিয়মাবলি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, যেখানে যেখানে ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা পরিবর্তন হচ্ছে, এক জায়গা থেকে বুথ অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট বুথের প্রত্যেক ভোটারকে এই পরিবর্তনের কথা ব্যক্তিগত ভাবে জানাতে হবে কমিশনের আধিকারিকদের। এক জনের ক্ষেত্রেও এর অন্যথা করা যাবে না।
আরও পড়ুন:
কমিশন জানিয়েছে, অতিরিক্ত বুথ তৈরির কথা এবং বুথের ঠিকানা পরিবর্তন করার কথা সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভাল ভাবে প্রচার করতে হবে। কেউ জানেন না, এমন যেন না হয়। তা ছাড়া, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে লিখিত ভাবে বুথ সংক্রান্ত নতুন তথ্য জানিয়ে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত করতে হবে সিইও দফতরকে।
আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল শনিবার থেকেই জেলা সফর শুরু করছেন। ভোটের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে তিনি জেলায় জেলায় ঘুরবেন। ভোটের নিয়ম এ বার আগের চেয়ে কঠোর। কোনও কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি এবং ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত