রাজ্যের আরও ১৩টি কেন্দ্রের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি। চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সদ্য কংগ্রেসত্যাগী সন্তোষ পাঠককে। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুরকে। প্রসঙ্গত, বাগদা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুরকে। সোমা এবং মধুপর্ণা দু’জনেই মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য, সম্পর্কে তাঁরা ননদ-বৌদি। অর্থাৎ, বাগদা কেন্দ্রের বাসিন্দারা এ বার ননদ-বৌদির রাজনৈতিক লড়াইয়ের সাক্ষী থাকবে।
মঙ্গলবার সকালে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী সিতাই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে আশুতোষ বর্মাকে। নাটাবাড়িতে প্রার্থী হয়েছেন গিরিজাশঙ্কর রায়। মগরাহাট পূর্ব কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী উত্তমকুমার বণিক, ফলতায় দেবাংশু পন্ডা, সোনারপুর উত্তরে দেবাশিস ধর, হাওড়া দক্ষিণে শ্যামল হাতি, পাঁচলায় রঞ্জনকুমার পাল। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে পীযূষকান্তি দাসকে, গড়বেতায় প্রার্থী প্রদীপ লোধা, মেমারিতে মানব গুহ, বারাবনীতে অরিজিৎ রায়।
ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী বদল করা হয়েছে। গত ১৯ মার্চ এই কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে কৌশিক রায়ের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। মঙ্গলবার ওই কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে ডালিম রায়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এটি বিজেপির চতুর্থ প্রার্থিতালিকা। মঙ্গলবারের পর আর মাত্র ছ’টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা বাকি থাকবে বিজেপির। প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনের প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। দ্বিতীয় দফায় ১১২টি আসনের পর তৃতীয় দফায় ১৯টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে বিজেপি।
আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। ইতিমধ্যে তৃণমূল সব আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। প্রথম দফায় যে আসনগুলিতে ভোট হবে, সেগুলির জন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে সোমবার থেকে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
১৯:১৭
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা -
১৯:০৮
নওদা, রেজিনগরের মধ্যে কোন আসন ছাড়ছেন, জানিয়ে দিলেন হুমায়ুন! উপনির্বাচনে প্রার্থী হবেন পুত্র আজ়াদ -
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত