এ বার ভোট গণনাকেন্দ্র দেখতেও জেলায় জেলায় যাবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল। কমিশন সূত্রে খবর, গণনাকেন্দ্রে প্রস্তুতি কেমন, কমিশনের নির্দেশ মেনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়েছে কি না, প্রোটোকল মানা হচ্ছে কি না, সে সব খতিয়ে দেখবেন তিনি। ৪ মে ভোটগণনা। তার আগে কোথায় কখন যাবেন মনোজ, তা এখনও কমিশন সূত্রে জানা যায়নি।
এর আগে ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরেছিলেন মনোজ। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পরেই তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট করানোই তাঁর লক্ষ্য। সে জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা তিনি করবেন। অন্যান্য বারের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি সংখ্যায় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয় পশ্চিমবঙ্গে। রাজ্য প্রশাসন এবং পুলিশের বহু আধিকারিককে বদলি করে দেওয়া হয়। বৃদ্ধি করা হয় ভোটগ্রহণ কেন্দ্র এবং বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে সিসি ক্যামেরার নজরদারিও।
২৩ এপ্রিল, প্রথম দফার ভোটের আগে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে গিয়েছিলেন মনোজ। ২৯ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কাকদ্বীপ এবং কাটোয়ায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে প্রার্থী, পুলিশ এবং প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। নির্বাচনী এজেন্টদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন:
রাজ্যে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা আরও কমিয়ে দিয়েছে কমিশন। ১০৮ থেকে কমিয়ে ৮৭ করা হয়েছিল দু’সপ্তাহ আগে। বৃহস্পতিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ২৯৪টি বিধানসভা আসনের ভোট গোনা হবে ৭৭টি কেন্দ্রে। কোন জেলায় কোথায় কোথায় গণনা চলবে, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জেলা ধরে ধরে গণনাকেন্দ্রের ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটগণনা হয়েছিল ৯০টি কেন্দ্রে। ২০২১ সালের নির্বাচনে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছিল ১০৮। কিন্তু গত ১৭ এপ্রিল কমিশনের তরফে তা কমিয়ে ৮৭ করা হয়। এ বার তা আরও কমিয়ে ৭৭ করা হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, গনণাকেন্দ্রে ঢোকার আগে ত্রিস্তরীয় যাচাইকরণের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে ভোটকর্মীদের। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে গণনাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে এক বার সংশ্লিষ্ট ভোটকর্মীর আইডি কার্ড পরীক্ষা করা হবে। গণনাকক্ষে যাওয়ার পথে আবার এক বার ওই ভোটকর্মীর আইডি কার্ড যাচাই করবেন নিরাপত্তাকর্মীরা। শেষ বার গণনাকক্ষে ঢোকার মুখে পরীক্ষা হবে। সেখানেই আইডি কার্ডে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করাতে হবে ভোটকর্মীদের।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২২:৪১
কমিশনের ব্যাখ্যার পর ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র থেকে ধর্না তুলে নিলেন কুণাল, শশী! স্ট্রংরুম দেখতে মমতা শাখাওয়াত স্কুলে -
২২:০৬
তিন জেলায় পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না! বাকিগুলিতে স্ক্রুটিনির পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন, আলোচনা পুনরায় ভোট নিয়ে -
২০:২৮
স্ট্রংরুম-বিতর্ক: অবস্থানে কুণাল- শশী, পৌঁছোলেন বিজেপির তাপস-সন্তোষও -
২০:০১
সোমবার সকাল ৮টায় গণনা শুরু, বেলা ১২টার মধ্যেই স্পষ্ট হবে পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার কার হাতে তুলে দিলেন রাজ্যবাসী -
১৫:৫৯
কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন? বিশেষ পর্যবেক্ষককে স্ক্রুটিনি করতে নির্দেশ জ্ঞানেশের! তার পরেই ডায়মন্ড হারবারে সুব্রত