Advertisement
E-Paper

অভিষেক পৌঁছোনোর আগেই নওদার সভাস্থলে প্রার্থী নিয়ে বিক্ষোভ তৃণমূলের একাংশের! চলল চেয়ার ছোড়াছুড়িও

অভিষেক সভাস্থলে পৌঁছোনোর আগে এক তৃণমূল সমর্থক মঞ্চের একেবারে সামনে পৌঁছে যান। তিনি অভিযোগ করতে থাকেন, তাঁকে আসন থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬ ১৫:৫১
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নওদার সভাস্থলে পৌঁছোনোর আগে চেয়ার ছোড়াছুড়ি হয় সেখানে।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নওদার সভাস্থলে পৌঁছোনোর আগে চেয়ার ছোড়াছুড়ি হয় সেখানে। — নিজস্ব চিত্র।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তখনও পৌঁছোননি। তার আগেই বিশৃঙ্খলা ছড়াল তৃণমূলের সভাস্থলে। উঠল মারধরের অভিযোগ। হল চেয়ার ছোড়াছুড়িও। নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভও প্রকাশ্যে এল।

স্থানীয় সূত্রে দাবি, নওদায় তৃণমূলের সংগঠন মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় দুই গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে। একটি বিদায়ী বিধায়ক তথা এ বারের প্রার্থী সাহিনা মমতাজের গোষ্ঠী। অপরটি স্থানীয় সাংসদ আবু তাহের খান এবং তাঁর ভাগ্নে সফিউজ্জামান হাবিবের। নওদায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হাবিব। রবিবার দুপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক সভাস্থলে পৌঁছোনোর আগে থেকেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করেছিল। সেই সময়ে সামনের দিকে কোন গোষ্ঠীর কর্মী-সমর্থকেরা বসবেন, তা নিয়েই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় বলে জানা যাচ্ছে।

এ সবের মধ্যেই এক তৃণমূল সমর্থক মঞ্চের একেবারে সামনে পৌঁছে যান। সেখানেই বসে তিনি অভিযোগ করতে থাকেন, তাঁকে আসন থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমরা বসেছিলাম। চেয়ার দিয়ে মারধর করল কেন?” ওই যুবকের দাবি, অপর পক্ষ জায়গা পাচ্ছিল না বলেই তাঁকে জোর করে তুলে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই যুবক সাহিনা-গোষ্ঠীর। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সময়ে সভাস্থলের সামনে চেয়ার ছোড়াছুড়িও হয়।

দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মঞ্চ থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন অভিষেক। তিনি যখন মঞ্চে ওঠেন, তখন ওই বিশৃঙ্খলা মিটে গিয়েছিল। তবে মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “যাঁরা জার্সি পরে আছেন, যে জার্সি পরে আছেন, সেই জার্সি পরে, সেই দলের হয়ে খেলুন। অন্য দলের হয়ে খেলতে গেলে, এক মাস পরে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে করে দেবে। বাকি জীবনটা আর মাঠে ঢুকতে পারবেন না।”

বস্তুত, তৃণমূল আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেই নওদায় সফিউজ্জামানের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছিল কিছু জায়গায়। তবে শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, সাহিনাকেই প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তা নিয়ে বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু জায়গায় বিক্ষোভও হয়। পরবর্তী সময়ে অবশ্য সফিউজ্জামানের গোষ্ঠীও দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নামে। তবে রবিবার অভিষেকের সভাস্থলে ফের দু’পক্ষের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল।

পরে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। মঞ্চ থেকে নেমে আসেন সফিউজ্জামানও। তাঁর বক্তব্য, “দল যাঁকে প্রার্থী করেছে, আমরা সকলেই তাঁকে সমর্থন করব। কিছু মানুষ হয়তো আবেগে এ সব করছেন। তাঁদের বোঝাতে হবে।” অন্য দিকে, সাহিনার বক্তব্য, “পরিকল্পিত ভাবে দলের বিরুদ্ধে যাঁরা অবস্থান করছেন, দল তাঁদের বিচার করবে।”

TMC West Bengal Politics Naoda
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy