রাজ্যের অনেক বুথে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না-থাকায় অসন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, বুথের পরিকাঠামো তৈরির কাজ রাজ্যের। বার বার বলা সত্ত্বেও রাজ্য ওই কাজে সদর্থক ভূমিকা নেয়নি বলে অভিযোগ। এ বার এই কাজের জন্য নবান্নকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় একজন সচিব পদমর্যাদার আধিকারিক নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ওই আধিকারিকেরা বুথের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখবেন।
অন্য দিকে, বুধবারই রাজ্যের সব পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পর্যবেক্ষকদের কাজ নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে প্রত্যেক বিধানসভার জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অন্যান্য বারের তুলনায় অনেক বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত পুলিশ জেলা বা কমিশনারেট পিছু এক জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়ে থাকে। এ বার তা বাড়িয়ে দ্বিগুণেরও বেশি করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ৯১ লক্ষ নাম। সোমবার গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জেলা অনুযায়ী বাদ পড়া (ডিলিটেড) নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার। তাঁদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩। বিবেচনাধীন ভোটার তালিকা থেকে নাম উঠেছে ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রথম চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়েছিল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম। অর্থাৎ, মোট বাদ পড়ার সংখ্যা ৯০ লক্ষ ছাড়িয়েছে (৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫)।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত