হাওড়ায় শুভেন্দু অধিকারীর রোড শো ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল। বুধবার বালি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় সিংহের সমর্থনে প্রচারে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর রোড শো-কে উদ্দেশ্য করে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। তাতেই শুভেন্দু ক্রুদ্ধ হন। একটি হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে রোড শো করছিলেন তিনি। সেখান থেকেই উত্তেজিত হয়ে তৃণমূল সমর্থকদের দিকে আঙুল তুলতে দেখা যায় তাঁকে। তাঁদের হুঁশিয়ারিও দেন শুভেন্দু।
শুভেন্দুদের রোড শো বালি গোস্বামী পাড়ায় পৌঁছোতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূল কর্মীরা স্লোগান দিলে বিজেপি সমর্থকেরা তাঁদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। বেশ কিছু ক্ষণ পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনাটি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, বালি থানার আইসি-র মদতে এই ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন:
শুভেন্দুদের কর্মসূচিতে উত্তেজনার ঘটনাকে কটাক্ষ করেছেন স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী কৈলাস মিশ্র। তিনি বুধবার সন্ধ্যায় নববর্ষ উপলক্ষে এলাকায় মিছিল বার করেছিলেন। জনসংযোগও করেছেন। শুভেন্দু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘শুভেন্দু অধিকারী যেমন মানুষ, তাঁর সঙ্গে তেমনই করেছে সাধারণ জনগণ। আমিও তো রাস্তায় বেরিয়েছি। আমাকে তো কেউ চোর বলছে না বা অন্য কোনও স্লোগান দিচ্ছে না! আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনে যদি উনি হুঁশিয়ারি দেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি বাংলার কেউ নন।’’ বালি থানার আইসি প্রসঙ্গে কৈলাস বলেন, ‘‘আগেও শুভেন্দু বালি থানার আইসি-কে সাসপেন্ড করিয়েছেন। মানুষ সব দেখছে।’’
উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর দু’টি কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন শুভেন্দু। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হবে ভোটগ্রহণ। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। এর আগে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দুর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন অশান্তি হয়েছিল। সেই রোড শো-তে ছিলেন অমিত শাহ। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তি হয়েছিল পুলিশের সঙ্গেও। বালিতে বুধবার ফের তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২২:২৩
আমার গাড়ির কাছেও এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী! ‘তল্লাশি-চ্যাট ফাঁসের’ পর অভিযোগ মমতার, মানতে নারাজ সিইও মনোজ -
২১:০৮
১২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মুম্বইতে বাড়ি! কত কোটির মালিক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়? বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি-গয়নাই বা কত -
২১:০২
বিদ্যুৎই নেই কলকাতার ১০০-র বেশি বুথে! অবিলম্বে বন্দোবস্ত করতে বলল কমিশন, স্কুলও কি চলে বিদ্যুৎ ছাড়া? উঠছে প্রশ্ন -
১৮:১৬
কাশ্মীর থেকে ভবানীপুরে এল বুলেটনিরোধক গাড়ি! বড়সড় অশান্তি ঠেকাতে ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় বাহিনী, টহলদারি শুরু -
১৬:৫৬
‘দিদি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করেছেন, বাজেটে মাত্র ১২০০ কোটি টাকা দিয়েছেন’! কটাক্ষ শাহের