খাস কলকাতার ১০০টিরও বেশি বুথে বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই। ভোটের আগে এই তথ্য জানতে পেরে অবাক নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকেরা। প্রতিটি বুথে ভোট চলাকালীন অত্যাধুনিক ওয়েব কাস্টিংয়ের বন্দোবস্ত করতে বলা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ পরিষেবা ছাড়া তা সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে বুথগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) বিষয়টি দেখতে বলা হয়েছে। বিদ্যুতের ব্যবস্থা না করা গেলে জেনারেটর রাখতে বলেছে কমিশন। কিন্তু বিদ্যুৎহীনতার কারণে কোনও বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ে যেন প্রভাব না-পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
গ্রামগঞ্জের অনেক বুথেই বিদ্যুৎ পরিষেবা থাকে না। সেখানে আলাদা করে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার নির্দেশ কমিশন আগেই দিয়েছিল। কিন্তু খাস কলকাতায় যে এই পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। রাজ্যের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রই রয়েছে কোনও না কোনও স্কুলে। এ ক্ষেত্রে তাই রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, স্কুলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজ রাজ্য সরকারের। তারা এই সমস্ত স্কুলের পরিকাঠামো উন্নত করেনি। তাই সমস্যা হচ্ছে। দক্ষিণ কলকাতায় এই কাজে যুক্ত এক আধিকারিক জানান, কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করতে ওই সমস্ত বুথে অস্থায়ী ভাবে বিদুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী জেনারেটর রাখা হবে।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, বেশিরভাগ বিদ্যুৎহীন ভোটকেন্দ্র পাওয়া গিয়েছে কলকাতা বন্দর এলাকায়। সেখানে ৫০টিরও বেশি বুথে বিদ্যুৎ নেই। এর আগে সেখানে কী ভাবে ভোট হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। কমিশন জানিয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়া অত্যাধুনিক ওয়েব কাস্টিং সম্ভব নয়। তা ছাড়া, ভোটের দিন অনেক বুথকক্ষের জানলা এবং অতিরিক্ত দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাতে অনেক বুথ অন্ধকার হয়ে যায়। তাই ভোটকেন্দ্রের ভিতরে বৈদ্যুতিক আলো থাকা প্রয়োজন। না হলে ভোটগ্রহণে সমস্যা হতে পারে। আদর্শ বুথের পরিকাঠামো কেমন হতে পারে, তা নিয়ে কমিশনের আলাদা নির্দেশিকা রয়েছে। তা মেনে চলতে বলা হয়েছে ডিইও-দের।
শুধু বিদ্যুৎ নয়, প্রতি বুথে পানীয় জল এবং শৌচালয়ের বন্দোবস্ত করতে বলেছে কমিশন। অভিযোগ, অনেক বুথেই এই পরিষেবা নেই। ডিইও-দের আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই ধরনের পরিষেবাগুলি নিশ্চিত করতে হবে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে ভোটগ্রহণ রয়েছে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৮:১৬
কাশ্মীর থেকে ভবানীপুরে এল বুলেটনিরোধক গাড়ি! বড়সড় অশান্তি ঠেকাতে ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় বাহিনী, টহলদারি শুরু -
১৬:৫৬
‘দিদি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করেছেন, বাজেটে মাত্র ১২০০ কোটি টাকা দিয়েছেন’! কটাক্ষ শাহের -
১৫:০৩
তৃণমূল নেতাদের গাড়িতে যদি তল্লাশি হয়, প্রধানমন্ত্রী আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়িতে কেন হবে না? ইসলামপুরে প্রশ্ন মমতার -
০৯:৪৪
কেন্দ্রের ‘অত্যাচারের বিরুদ্ধে’ বদলা নেওয়ার ডাক! নববর্ষে সম্প্রীতির বার্তা মমতার, শামিল হতে আহ্বান গণতন্ত্রের উৎসবে -
০৮:১৪
প্রথম দফার ভোটে মোতায়েন হচ্ছে ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! মুর্শিদাবাদে সর্বাধিক, দ্বিতীয় স্থানেই শুভেন্দুর জেলা