সদ্য মাতৃবিয়োগ হয়েছে তামিল তারকা অজিত কুমারের। অভিনেতার মা মোহিনী মণির প্রয়াণে শোক প্রকাশ করতে শনিবারই তাঁর বাড়ি পৌঁছোন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তলপতি বিজয়। সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী তৃষা কষ্ণন। সেই সাক্ষাতের একাধিক ভিডিয়ো ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে যে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই অজিতের বাড়িতে পৌঁছোন বিজয়। গাড়ি থেকে নেমেই অজিতকে জড়িয়ে ধরেন অভিনেতা-রাজনীতিক। পাশে, কালো চুড়িদারে দেখা যায় তৃষাকে। তিনিও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। এর পরে শোকাহত পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান তাঁরা। মোহিনী মণির উদ্দেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাঁরা দু’জনেই।
বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছে বেশ কিছু দিন ধরেই। অভিনেতার বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ তোলেন তাঁর স্ত্রী। চলছে তাঁদের বিচ্ছেদের মামলাও। গুঞ্জন শোনা যায়, সহ-অভিনেত্রী তৃষার সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়েছেন তলপতি। যখন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখনও তৃষা ও বিজয়কে একসঙ্গে একই অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণের দিনেও হাজির ছিলেন অভিনেত্রী। তবে শনিবার অজিতের বাড়িতে বিজয় ও তৃষা একসঙ্গে পৌঁছোন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে কিছু ভিডিয়ো দেখে অনুরাগীদের দাবি, বিজয়ের মিনিটকয়েক আগেই তৃষা পৌঁছোন, আলাদা গাড়িতে। কিছু ভিডিয়োয় দেখা যায়, দু’জন আলাদা গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করছেন। তবে অজিতের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ে দু’জনেই একসঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
শনিবার, ৩০ মে সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অজিতের মা। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। বয়সজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন ভুগছিলেন বলে খবর। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরে শোকস্তব্ধ অভিনেতার ঘনিষ্ঠজনেরা। তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিনও এক্স হ্যান্ডেলে একটি আবেগঘন শোকবার্তা প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “আমার প্রিয় ভাই অজিত কুমারের মা শ্রীমতি মোহিনী মণির মৃত্যুসংবাদে আমি গভীর ভাবে মর্মাহত। যিনি তাঁকে জন্ম দিয়েছেন এবং জীবনের সাফল্যের প্রতিটি মুহূর্ত দেখে আনন্দ পেয়েছেন, সেই মাকে হারানোর শোক ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মায়ের সঙ্গে কাটানো সুন্দর স্মৃতিগুলোই এই কঠিন সময়ে তাঁকে শক্তি জোগাক। অজিত কুমার ও তাঁর পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা রইল।”
উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবন সবসময়েই ক্যামেরার আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন অজিত কুমার। পরিবারের বিষয়ে তিনি খুব কমই প্রকাশ্যে কথা বলেন। এই ঘটনার পরেও গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।