ফের দুর্যোগের কবলে পড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টার। মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় সভা করার পর কপ্টারে ওই জেলারই নবগ্রামে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রবল ঝড়বৃষ্টির কারণে কপ্টার নবগ্রামের সভাস্থলে অবতরণ করতে পারেনি। কপ্টারের পাইলট ঝুঁকি না-নিয়ে কপ্টারটিকে বড়ঞাতেই ফিরিয়ে আনেন। বড়ঞা থেকে সড়কপথেই নবগ্রামে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছে সভাও করেন।
জানা গিয়েছে, দুপুর ২টো ১০ মিনিটে বড়ঞা থেকে কপ্টারে নবগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বড়ঞায় আবহাওয়া স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু নবগ্রামের সভাস্থলে নামতে গিয়ে অসুবিধার মুখে পড়ে কপ্টার। আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূল না-থাকায় কপ্টারের মুখ ঘুরিয়ে ফের বড়ঞাতেই নিয়ে যান কপ্টারের পাইলট। সেখানেই কপ্টারটি অবতরণ করে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুর্যোগের কবলে পড়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর বিমান। ওই দিন বীরভূমের দুবরাজপুরে সভা সেরে অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে কলকাতা ফেরার জন্য বিমান ধরেছিলেন। ৩টে ৩৯ মিনিটে অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে তাঁর বিমানটি যাত্রা শুরু করে। ৪টে নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তা অবতরণ করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে আচমকা ঝড়বৃষ্টি শুরু হয় কলকাতার বিস্তীর্ণ অংশে। কলকাতা বিমানবন্দর এলাকায় বৃষ্টির বেগ বাড়ে। সেই সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়ার দাপট।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, একাধিক বার মুখ্যমন্ত্রীর বিমানটি দমদম বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করেছিল। মাঝে ঝড়ের দাপট সামান্য কমেছিল। তখন কলকাতা বিমানবন্দরের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল বিমানটি। কিন্তু আবার সেই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়। বৃষ্টি আরও বেড়ে যায়। ফের বিমানটি দক্ষিণের অভিমুখে ঘুরে যায় বলে খবর। বিমানটিতে পর্যাপ্ত জ্বালানি রয়েছে কি না, তা-ও দেখা হয়। বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে পর পর তিন বার অবতরণের চেষ্টা করেছিলেন পাইলট। কিন্তু তিনি বিমান নামাতে পারেননি। ফলে আবার কলকাতা বিমানবন্দরের দিকে ফিরে যেতে হয় বিমানকে। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে আকাশে এ ভাবে চক্কর কাটার পর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১৯ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান কলকাতা বিমানবন্দরেই অবতরণ করে। শুক্রবার সেই বিমানের পাইলটদের প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত