নির্বাচন ঘোষণার আগে থেকে ৮৩২ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীর নিরাপত্তায় বিশাল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এত জনকে নিরাপত্তা দেওয়া প্রয়োজন কেন? কারা, কেন নিরাপত্তা পাচ্ছেন? অপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কি তুলে নেওয়া যাবে? এই প্রশ্ন তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পদক্ষেপ করতে বলল নির্বাচন কমিশন।
কমিশন সূত্রে খবর, ভোট ঘোষণার আগে থেকে তৃণমূলের ৮৩২ জন নেতা-কর্মী এবং আরও ১৪৪ জন (যাঁদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থকেরাও রয়েছেন) ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য ২,১৮৫ জন পুলিশ কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে। কেন শুধু শাসকদলের নেতাদের এত নিরাপত্তার প্রয়োজন হল? সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে কমিশন। তারা রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে জানিয়েছে, ওই বিষয়ে দু’-তিন দিনের মধ্যে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। কমিশন জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি পেশাদার এবং নিরপেক্ষ ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে ডিজি-কে।
আরও পড়ুন:
দিন কয়েক আগে উত্তপ্ত হয় মালদহ। পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বহু মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, অনেকের কাছে বৈধ নথিপত্র থাকার পরেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ে গিয়েছে। এই নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে ধমক দেয় কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ক্ষোভের মুখে পড়েন সিদ্ধনাথ এবং মালদহ পুলিশের সুপার অনুপম সিংহ। তাঁর প্রশ্ন, শুরুতেই কেন পদক্ষেপ করা হয়নি? সিইও অফিসের সামনে দু’দিন ধরে কেন গন্ডগোল চলছে? সেখানে এত লোক জমা হলেন কী ভাবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন জ্ঞানেশ। মালদহের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এ বার ফের কমিশনের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত