তৃণমূলের হয়ে প্রচার করছেন খোদ জয়েন্ট বিডিও! এমনই অভিযোগ উঠেছিল পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে। এ বার সেই অভিযোগে নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। খণ্ডঘোষ ব্লকের জয়েন্ট বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করার নির্দেশ দেওয়া হল। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ উঠেছিল। শুধু সাসপেন্ড নয়, ওই জয়েন্ট বিডিওর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।
শুক্রবার কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে চিঠি দিয়ে জ্যোৎস্নাকে সাসপেন্ড করার বিষয়টি জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, অবিলম্বে ওই জয়েন্ট বিডিওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কমিশনের নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা জানিয়ে শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে মুখ্যসচিবকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শীঘ্রই জ্যোৎস্নার জায়গায় অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে। এই চিঠির একটি কপি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকেও পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ মতো পদক্ষেপ করার কথা উল্লেখ করেছে কমিশন।
আরও পড়ুন:
রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের হয়ে ভোটপ্রচার করছেন জ্যোৎস্না! এমন অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এক জন সরকারি আধিকারিক হয়ে কী ভাবে রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা। কমিশনের দৃষ্টিআকর্ষণও করা হয়। এ বার সেই জয়েন্ট বিডিওর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল কমিশন।
তবে এই জ্যোৎস্নাই এসআইআর পর্বে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে কমিশনের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। পেয়েছিলেন পুরস্কারও। এইআরও হিসাবে গুরুদায়িত্ব সামলাছেন তিনি। তাঁকে সাসপেন্ড করায় বিস্মিত ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকদের একাংশ। যদিও এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি জ্যোৎস্না।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত