Advertisement

নবান্ন অভিযান

কেন মাত্র দুই সেকশন বাহিনী আনা হল? বাসন্তীর ঘটনায় রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন, দেরি নিয়েও তুলল প্রশ্ন

বৃহস্পতিবার বাসন্তীতে বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের সমর্থনে প্রচার করছিলেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, সেই প্রচারকে ঘিরে বিজেপি এবং তৃণমূল সংঘর্ষে জড়ায়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ২০:৪৪

— প্রতীকী চিত্র।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে প্রচারের সময়ে বৃহস্পতিবার বিজেপি কর্মীদের উপরে হামলার অভিযোগের ঘটনার রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে কমিশন জানতে চেয়েছে, অনেক বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও কেন মাত্র দুই সেকশন বাহিনী আনা হয়েছিল? কেন বাহিনী ডাকতে দেরি হল? অনুমতি না-থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে মিছিল হল? কমিশন জানিয়েছে, ইতিমধ্যে এই ঘটনায় আট জন গ্রেফতার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বাসন্তীতে বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের সমর্থনে প্রচার করছিলেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, সেই প্রচারকে তৃণমূলের কর্মীরা ক্যামেরাবন্দি করছিলেন। তা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তার পর শুরু হয় সংঘর্ষ।

সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পরেই দ্রুত উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। অভিযোগ, হামলাকারীরা বিজেপির মিছিলে ঢুকে পড়ে এবং রাস্তার ধারে থাকা দু’টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। বিজেপির অভিযোগ, প্রশাসনের মদতে এবং পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়েছে।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার (এসপি) শুভেন্দ্র কুমার বলেন, “বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” তবে বিজেপি প্রার্থী ঘটনার সময় ছিলেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নেতা-কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন, এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিজেপি প্রার্থী। পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তাঁর। বিজেপি প্রার্থী বলেন, “তৃণমূল হারের ভয়ে এখন সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে। পুলিশ সব দেখেও নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।” যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এই ঘটনাতেই রিপোর্ট চাইল কমিশন।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy