ভোট ঘোষণার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে ১০০ কোটি টাকার মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্ত হয়েচে ১০০ কোটি টাকার। বিবৃতি প্রকাশ করে বুধবার এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন। সব মিলিয়ে এ রাজ্যে ভোটের আগে এখনও পর্যন্ত ৪৭২ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকার সামগ্রী (নগদ অর্থ-সহ) বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার ভোট রয়েছে। একই দিনে ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। সে রাজ্যে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। দুই রাজ্যে ভোটের আগের দিন কমিশন জানাল, এই দুই রাজ্য থেকে মোট ১০৭২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে যেমন নগদ অর্থ রয়েছে, তেমনই রয়েছে মদ, মাদকদ্রব্য, মূল্যবান ধাতু, উপঢৌকন ইত্যাদি।
গত ১৫ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে কমিশন। ওই সময় থেকেই কার্যকর হয়ে যায় আদর্শ আচরণবিধি। ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে নজরদারি এবং বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। কমিশন জানাচ্ছে, ভোটের আগে বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া (ইলেকশন সিজ়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। ওই দিন থেকে বুধবার (২২ এপ্রিল) পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে কত টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন।
আরও পড়ুন:
কমিশন জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে নগদে মোট ২৭ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ ছাড়া ৩৯ লক্ষ ৩১ হাজার লিটার মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে, যার দাম ১০২ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১০৮ কোটি ১১ লক্ষ টাকার। পাশাপাশি ৫৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকার মূল্যবান ধাতু (সোনা, রুপো ইত্যাদি) এবং ১৭৮ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকার উপঢৌকনও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৭২ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে ভোটের আগে।
অন্য দিকে, তামিলনাড়ুতে শুধু নগদেই বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১০০ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। এ ছাড়়া ১৫৯ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার মূল্যবান ধাতু এবং ২৫৯ কোটি ১৪ লক্ষ টাকার উপঢৌকন বাজেয়াপ্ত হয়েছে দক্ষিণের এই রাজ্যে। পাশাপাশি ১ লক্ষ ১৭ হাজার লিটার মদও বাজেয়াপ্ত হয়েছে সে রাজ্যে, যার দাম সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি। সে রাজ্য থেকে মাদকও বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৫৯ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২০:৩০
প্রথম দফায় দুই ফুলের টক্করের জমিতে ভোট, বিধানসভার হিসাব বদলেছে লোকসভায়, ১৫২ আসনে বহুমুখী সমীকরণ -
১৯:৪৭
বাদ পড়া ১৩৯ জন ভোটারকে তালিকায় ফেরাল ট্রাইবুনাল! আগে প্রকাশিত তালিকা থেকে মুছেও দিল আট জনের নাম -
১৯:১৭
কেন্দ্রে ভোটার প্রবেশ করতে পারবেন কি না স্থির করবেন বিএলও! প্রতি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র চালু কমিশনের -
১৬:৪৭
১০ হাজার কোটির দুর্নীতি করেছেন মমতা, ৫ তারিখের পর সব টাকা ফেরত দিতে হবে: সপ্তগ্রামে শাহ -
১৬:২৯
পহেলগাঁওয়ের সময় সাঁজোয়া গাড়ি কোথায় ছিল? পশ্চিমবঙ্গের ভোটে কি যুদ্ধ হচ্ছে? হুগলি থেকে তোপ মমতার