ভোটের মরসুমে মদ উদ্ধারে রেকর্ড! এখনও পর্যন্ত মোট ১২৭ কোটি টাকার মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজ্য এবং কেন্দ্রের বিভিন্ন সংস্থা তল্লাশি চালিয়ে ৪৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ১৮৩ লিটার মদ উদ্ধার করেছে। কমিশন সূত্রে খবর, গত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় এ বার রাজ্যে মদ উদ্ধারের পরিমাণ অনেকটাই বেশি।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় ৪১ কোটি টাকার মদ উদ্ধার করা হয়েছিল। ২০২১-এ প্রায় ১৩৬ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এ বার ৩৩৯ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে আগামী বুধবার। তার আগে মদ এবং মাদক বাজেয়াপ্ত করার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
গত ১৫ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে কমিশন। ওই সময় থেকেই কার্যকর হয়ে যায় আদর্শ আচরণবিধি। ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে নজরদারি এবং বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। কমিশন জানাচ্ছে, ভোটের আগে বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া (ইলেকশন সিজ়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের আগের দিন কমিশন জানায়, ভোট ঘোষণার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে ১০০ কোটি টাকার মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১০০ কোটি টাকার। সোমবার কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৫১০ কোটি টাকার সামগ্রী (মদ, মাদক, নগদ অর্থ-সহ) বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৭:৪৪
‘এ যেন আমার এক তীর্থযাত্রা’, পশ্চিমবঙ্গে ভোটপ্রচার শেষে মোদীর অডিয়োবার্তা—‘এ বার পরিবর্তন করেই ছাড়তে হবে’ -
১৬:৪৯
তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে! রাস্তায় ফেলে লাঠিপেটার অভিযোগ, ভাঙচুর হল বাইক, টোটো -
১৬:১৫
ফলতায় তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষক, তল্লাশির নামে মহিলাদের সঙ্গে অভব্যতার অভিযোগ! -
১৪:৫০
‘আমার টাকায় চলা ক্লাবগুলো বেচাল করছে’! হুমকি দেওয়া সেই তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল পুলিশ -
১৪:০৪
৪৮ ঘণ্টা দল বেঁধে বাইকযাত্রা বন্ধ! তবে হাওয়া খেতে যেতে বাধা নেই, কমিশনের মামলায় বলল হাই কোর্ট, কী কী নির্দেশ