অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ বার নতুন পদক্ষেপ করল কলকাতা পুলিশ। প্রতিটি থানা এলাকায় গণ্ডগোল পাকাতে পারে এমন ১০ জনকে চিহ্নিত করে সেই ‘সম্ভাব্য অশান্তিবাজ’ (পুলিশি পরিভাষায়— ‘মোস্ট নটোরিয়াস ট্রাবল মঙ্গার্স’)-দের তালিকা তৈরি হচ্ছে এ বার।
কলকাতা পুলিশ একটি সূত্র জানাচ্ছে, প্রতিটি থানা এলাকা ধরে ১০ জন করে ‘মোস্ট নটোরিয়াস ট্রাবল মঙ্গার্স’-এর তালিকা পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ডিসি (ডেপুটি কমিশনার)-দের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। ডিসিদের তরফে এ বিষয়ে থানাস্তরে বার্তাও পৌঁছে গিয়েছে। সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি ও প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতিো নেওয়া হচ্ছে। পুলিশের ওই সূত্রের সোমবার রাতের মধ্যেই এই তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে মার্চ মাসে শেষে লালবাজারকে নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সে সময় কলকাতা পুলিশের নগরপাল-সহ রাজ্য পুলিশের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল কমিশনের প্রতিনিধিদের। সেখানেই জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার পাশাপাশি ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসা ও অপরাধে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বার্তা দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরে অশান্তির সময়ে সংশ্লিষ্ট থানার দায়িত্বে কোন কোন পুলিশ অফিসার ছিলেন, তাঁদের নামের তালিকাও স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছ থেকে নিয়েছিল কমিশন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০০:৪৩
গণনাকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যাবে না, পেনও কি রাখা যাবে না সঙ্গে? প্রার্থীর এজেন্টেরা কী কী নিয়ে যেতে পারবেন? -
সরাসরি
০০:০১
আপনার আসনে কোন দল এগিয়ে? কোন জেলায় আপাতত কে কোথায়? দেখতে থাকুন ২৯৩টি আসনের ছবি -
সরাসরি
০০:০১
নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু, বহরমপুরে পিছিয়ে অধীর! ডোমকলে এগিয়ে গেল সিপিএম, চলছে ইভিএম-এর গণনা -
২৩:০০
পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন? সোম দুপুরের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে আগামী পাঁচ বছর কাদের হাতে পশ্চিমবঙ্গ, নজরে বাকি ৪ রাজ্য -
২২:০৮
পোস্টাল ব্যালট আগেই গোনা হবে? না কি পরে? ইভিএমের গণনা সাময়িক ভাবে থমকাতে পারে, কেন? কী জানাল কমিশন