Advertisement

নবান্ন অভিযান

আনন্দবাজার ডট কম-এ খবর প্রকাশের পরেই তৎপর ডিএম! অবশেষে সস্ত্রীক ভোট দিতে পারলেন নন্দলাল বসুর নাতি

সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ এবং ট্রাইবুনালের রায়ের পরেও বৃহস্পতিবার প্রথমে ভোট দিতে পারেননি সুপ্রবুদ্ধ এবং দীপা। ভোটকেন্দ্রে গেলে বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, ভোটার তালিকায় দু’জনেরই নাম নেই।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৩৮
ভোট দিতে ঢুকছেন নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন।

ভোট দিতে ঢুকছেন নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন। —নিজস্ব চিত্র।

অবশেষে ভোট দিলেন চিত্রকর নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন এবং তাঁর স্ত্রী দীপা সেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা নাগাদ বোলপুরে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন ওই বৃদ্ধ দম্পতি।

সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ এবং ট্রাইবুনালের রায়ের পরেও বৃহস্পতিবার প্রথমে ভোট দিতে পারেননি সুপ্রবুদ্ধ এবং দীপা। ভোটকেন্দ্রে গেলে বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, ভোটার তালিকায় দু’জনেরই নাম নেই। বৃদ্ধ দম্পতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অংশটি দেখালে সেটির মুদ্রিত অংশ দিতে বলা হয়। তা করার পরেও সুপ্রবুদ্ধ এবং দীপা ভোট দিতে পারেননি। অভিযোগ, তাঁদের বলা হয় সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতর থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। বৃদ্ধ দম্পতি বোলপুর থেকে আর সিউড়ি যাওয়ার ধকল নিতে চাননি। ভোট না-দিয়েই ফিরে যান তাঁরা।

দুপুর ১২টা নাগাদ আনন্দবাজার ডট কম এই মর্মে খবর প্রকাশ করে। তার পরেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়। জেলাশাসক (ডিএম) এই বিষয়ে মহকুমাশাসককে এবং মহকুমাশাসক রিটার্নিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। কমিশনের তরফেই বৃদ্ধ দম্পতিকে ভোট দিতে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। বিকেলে ভোট দেন সুপ্রবুদ্ধ এবং তাঁর স্ত্রী।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
Nandalal Bose ECI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy