Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটের মুখে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বেআইনি মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে! চলছে নাকা চেকিং

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আবগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে বেআইনি মদ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ০১:২৮
নষ্ট করা হচ্ছে বেআইনি মদ।

নষ্ট করা হচ্ছে বেআইনি মদ। — নিজস্ব চিত্র।

ভোটমুখী রাজ্যগুলি থেকে নিত্য দিন চোলাই, হিসাব বহির্ভূত নগদ-সহ বেআইনি জিনিসপত্র উদ্ধার করছে কেন্দ্র এবং রাজ্যের সংস্থাগুলি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে চলছে কাজ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আবগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চোলাই এবং বেআইনি ভাবে বিক্রি হওয়া মদ উদ্ধারে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আবগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে বেআইনি মদ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১,৩২৯টি মামলা রুজু হয়েছে ওই জেলায়। গ্রেফতার হয়েছেন ৯০ জন। চোলাই মদ ৩৯,১৩২ লিটার, চোলাই মদ তৈরির উপকরণ ৪ লক্ষ ৯২ হাজার ২৮ লিটার, দেশি মদ ৩৬৩ লিটার, বিদেশি মদ ৪৯৩ লিটার, বিয়ার ৮৫০ লিটার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ১৬টি বাইক এবং দু’টি গাড়ি আটক করা হয়েছে।

আবগারি দফতরের এক আধিকারিক জানান, আনুমানিক ১২ কোটি ২৬ লক্ষ রাখার জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও নজরদারিতে বেআইনি মদের করবার রুখতে এবং ভিন্ন রাজ্য বা জেলা থেকে মদের অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে জেলা জুড়ে দু’টি আন্ত রাজ্য চেকিম পয়েন্ট বসানো হয়েছে। ১২টি আন্তঃজেলা নাকা পয়েন্ট রয়েছে।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
২৩ মিনিট আগে
Excise Department Excise
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy