ভোটের মুখে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে বিজেপিতে ভাঙন। তৃণমূল প্রার্থী রামজীবন মান্ডির হাত ধরে ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করল কয়েকটি পরিবার। শুক্রবার একই রকম ঘটনা ঘটল ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরেও।
শুক্রবার সকালে কেশিয়াড়ি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী রামজীবন গিয়েছিলেন সাঁতরাপুর-৩ নম্বর অঞ্চলের ওলদা গ্রামে প্রচারে। তাঁকে সামনে পেয়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন গ্রামের পাঁচ পরিবার। তৃণমূলের দাবি, ওই পরিবারগুলি সক্রিয় ভাবে বিজেপি করত। রামজীবনকে প্রচারে দেখে ওই পরিবারগুলি বেরিয়ে এসে তৃণমূলে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করে। রামজীবন তাদের সকলের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন।
তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে ওই পরিবারগুলির দাবি, বিজেপি তাদের নানা ভাবে ‘ভুল বুঝিয়েছে’। শুধুই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু এলাকার ‘প্রকৃত উন্নয়ন এবং তৃণমূল প্রার্থীর ভাবমূর্তি দেখে তারা বিজেপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তৃণমূলে যোগ দেওয়া এক বিজেপিত্যাগীর কথায়, ‘‘এত দিন আমাদের ভুল বুঝিয়ে কাজে লাগিয়েছে। আমরা চাই এলাকার আরও উন্নয়ন হোক। তাই রামজীবন মান্ডিকে বিপুল ভোটে জয়ী করে বিধায়ক করতে চাই।’’
আরও পড়ুন:
ওই যোগদান প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী জানান, সাধারণ মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুফল পাচ্ছেন। বিরোধীদের অপপ্রচার যে ধোপে টিকছে না, এই যোগদান তার প্রমাণ। ওলদা গ্রামের এই জনসমর্থন আগামী দিনে তাঁর জয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশাবাদী রামজীবন।
ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর বিধানসভা এলাকাতেও কয়েকশো কর্মী-সমর্থক বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন। আগুইবনি অঞ্চলের বাঁকশোল বুথে ২০০টি পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন গোপীবল্লভপুর বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী অজিত মাহাতো। পরে বাইক মিছিল করেন তৃণমূল প্রার্থী।