মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার মিছিলে একসঙ্গে পা মেলালেন সাংসদ রাজু বিস্তা ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুং। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে বিজেপি প্রার্থী সোনম লামাকে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার একত্রে মিছিল করে বিজেপি ও মোর্চা। মিছিলের পরে সভাও করেন বিমল ও রাজু। তবে কার্শিয়াং শহর জুড়ে হওয়া এই মিছিলে দেখা গেল না বিজেপির অন্যতম জোটসঙ্গী জিএনএলএফকে।
বিমলের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সঙ্গে জোট করে পাহাড়ের তিন আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। কার্শিয়াং ও কালিম্পং আসনে নিজেদের দলীয় প্রার্থী দিয়েছে পদ্মশিবির। পাশাপাশি মোর্চাকে দেওয়া হয়েছে দার্জিলিং আসনটি। ওই আসনে মোর্চাকে সমর্থন করছে বিজেপি। তবে মোর্চার প্রার্থী লড়বে বিজেপির প্রতীকেই। বৃহস্পতিবার মনোনয়নের সময়ে জিটিএ-এর চিফ এগ্জিকিউটিভ অনিত থাপা ও ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চাকে তীব্র আক্রমণ করেন বিমল এবং রাজু।
রাজু বলেন, ‘‘পাহাড়বাসী এ বারেও মোদীকে সমর্থন করছে এটা পরিষ্কার। পাহাড়বাসীর মধ্যে দারুণ উচ্ছ্বাস রয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আগে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হব তারপরে জিটিএ দখল করব।’’
বিমল বলেন, ‘‘জিটিএ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিল অমর লামা। আর সেই রিজেক্টেড মানুষকেই প্রার্থী করেছে বিজিপিএম। কিন্তু আমাদের জোট প্রার্থী ভূমিপুত্র। আমরাই জয়ী হচ্ছি। ১৯৮৬ সাল থেকে আমি একটাও নির্বাচনে হারিনি। এ বারেও হারব না। গতবার জোট হয়নি। সেটা ভুল হয়েছিল। কিন্তু এবার একত্রিত হয়ে লড়ছি। ভাল ফল হবে। অজয় এডওয়ার্ডও জোটে আসতে চাইছিল। কিন্তু তা হয়নি। ওরাও লড়বে। আমরাও লড়ব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কালিম্পং বাদে বাকি দুই আসনে আমাদের সহজ জয় হবে।’’
আরও পড়ুন:
যৌথ মিছিলে না-থাকা নিয়ে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে জিএনএলএফ। তাদের দলের গতবারের বিধায়ক নীরজ জিম্বা টিকিট না পাওয়ায় তারা দূরত্ব তৈরি করেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কিন্তু এ বারের নির্বাচনে তারা কাদের সঙ্গে থাকবে তা এখনও স্পষ্ট করেনি।