পাঁচ দিন আগেই আইপিএলে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। উর্বিল পটেলের দাপটে স্কোরবোর্ডে ২০০-র বেশি রান তুলেও চিপকে হারতে হয়েছিল লখনউকে। একানা স্টেডিয়ামে তার মধুর প্রতিশোধ নিল লখনউ। চেন্নাইকে হারিয়ে দিল ৭ উইকেটে। অল্পের জন্য শতরান না পেলেও কাজের কাজ করে দিলেন মিচেল মার্শ। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের দাপটে জিতল লখনউ। প্রথমে ব্যাট করে চেন্নাই তুলেছিল ১৮৭/৫। জবাবে ৩ উইকেটেই সেই রান তুলে দিল লখনউ।
লখনউয়ের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার মোটেও ভাল খেলতে পারেননি। মন্থর পিচে বড় শট খেলতে পারছিলেন না সঞ্জু স্যামসন, রুতুরাজ গায়কোয়াড়েরা। তিনটি চারের সাহায্যে ২০ বলে ২০ রান করে আউট হন সঞ্জু। রুতুরাজের অবদান ৯ বলে ১৩। লখনউয়ের বিরুদ্ধে আগের সাক্ষাতে যিনি আইপিএলে নজির গড়েছিলেন, সেই উর্বিল পটেল মাত্র ৬ রানেই ফিরে যান। ৫২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে এক সময় চাপে পড়েছিল চেন্নাই।
সেই চাপ কাটান কার্তিক। ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৭০ রান যোগ করেন। বুকের উচ্চতায় বল এলে সমস্যা হয় কার্তিকের। এ দিন সেই সমস্যা তাড়া করলেও ক্রিজ় কামড়ে পড়েছিলেন তিনি। আক্রমণ করেছেন স্পিনারদের। শাহবাজ় আহমেদকে দু’টি ছয় এবং দু’টি চার মেরেছেন। এক সময় পেসারদের বিরুদ্ধে অনায়াসে খেলতে দেখা যায় তাঁকে। প্রিন্স যাদবকে পর পর দু’টি ছয় মারেন।
উল্টো দিক থেকে ভাল সঙ্গ দিচ্ছিলেন ব্রেভিসও। তিনি আকাশ সিংহ এবং শাহবাজ়কে একটি করে ছয় মারেন। মহম্মদ শামিকে ছয় মেরে ৩৫ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেন কার্তিক। তবে দুই ব্যাটারকেই কয়েক বলের ব্যবধানে ফিরতে হয়। শামিকে পুল করতে গিয়ে আকাশের হাতে ক্যাচ দেন ব্রেভিস (২৫)। পরের ওভারে ফিরে যান কার্তিকও (৭১)। শেষের দিকে কিছুটা চালিয়ে খেলে চেন্নাইয়ে মোটামুটি ভদ্রস্থ স্কোরে পৌঁছে দেন শিবম দুবে (অপরাজিত ৩২) এবং প্রশান্ত বীর (১৩)।
লখনউ খেলতে নামার পর অবশ্য মনে হয়েছে তারা আলাদা পিচে ব্যাট করতে নেমেছে। প্রথম ওভারেই মুকেশ চৌধরিকে তিনটি চার মেরে শুরু করেন মার্শ। এর পর যত সময় গড়িয়েছে ততই লখনউয়ের দাপট বেড়েছে। পঞ্চম ওভারে অংশুল কম্বোজ ২৮ রান হজম করেন। তাঁকে পর পর চারটি ছয় এবং একটি চার মারেন মার্শ। এর পর স্পেন্সার জনসন, গুরজপনীত সিংহ কেউই দাঁড়াতে পারেননি অস্ট্রেলীয় ওপেনারের সামনে। পাওয়ার প্লে-তেই ৮৬ রান তুলে ফেলে লখনউ।
আরও পড়ুন:
এক সময়ে মনে হচ্ছিল মরসুমের দ্বিতীয় শতরান করে ফেলবেন মার্শ। ঠিক তখনই ছন্দপতন। ১২তম ওভারে ছন্দপতন হয় দুই ওপেনারের। প্রথমে মুকেশকে তুলে মারতে গিয়ে উর্বিলের হাতে ক্যাচ দেন জশ ইংলিস (৩৬)। পরের বলেই রান নিতে গিয়ে উইকেট খোয়ান মার্শ। ৯টি চার এবং ৭টি ছয়ের সাহায্যে ৩৮ বলে ৯০ রান করেন তিনি।
পর পর দুই ওপেনারকে হারিয়ে আচমকা চাপে পড়ে যায় লখনউ। আব্দুল সামাদও (৭) রান করতে পারেননি। শুরুতে অনেকগুলি বল খেলে ফেলেন নিকোলাস পুরান। সেই তুলনায় রান করতে পারেননি। তবে ঋষভ পন্থের সঙ্গে জুটি বেঁধে কিছু ক্ষণ পর থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকেন। একটা সময় ২৪ বলে ২৪ রান দরকার ছিল লখনউয়ের। কম্বোজকে চার বলে চারটি ছয় মেরে ম্যাচ জিতিয়ে দেন পুরান।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ২৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। গত বছর প্রয়াত ১১ সমর্থকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বার হয়নি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
- এখনও পর্যন্ত আইপিএলের গ্রুপ পর্বের ৭০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা হয়েছে। প্রথমে ২০টি ম্যাচের সূচি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পরে বাকি ৫০টি ম্যাচেরও সূচি ঘোষণা করেছে তারা। তবে প্লে-অফের সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
- আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি, পাঁচ বার করে ট্রফি জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে তিন বার। গত বছর প্রথম বার ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু।
-
১৬:৪৮
বেঙ্গালুরুকে আইপিএল দিতে না পারলেও আক্ষেপ থাকত না! কোহলি খেলে চলেছেন নির্দিষ্ট লক্ষ্যে, ৩৭-এও প্রতিদিন মাঠে নামতে তৈরি বিরাট -
১৩:৩৯
পঞ্জাবের বিরুদ্ধে জয়ের আনন্দ মাটি, আম্পায়ারকে গালিগালাজ করায় শাস্তি মুম্বইয়ের ব্যাটিং কোচ পোলার্ডের -
১১:৩৭
শুধু অধিনায়ক নন, আইপিএল শেষে কোপ পড়বে গোটা কোচিং দলের উপর, সকলের পারফরম্যান্সেই ক্ষুব্ধ দল -
২৩:২৮
পচা শামুকে পা কাটল পঞ্জাবের! টানা পাঁচ ম্যাচে হেরে শ্রেয়সদের প্লে-অফে ওঠার রাস্তা আরও কঠিন হল, তিলকের ব্যাট জেতাল মুম্বইকে -
‘আর রেকর্ডের পিছনে ছুটি না!’ কেকেআরের বিরুদ্ধে ন’টি নজির গড়ে জানালেন কোহলি, এখন শুধু একটিই লক্ষ্য বিরাটের