সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে ঐক্যমত্য না হওয়ায় শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রী সম্মেলনের শেষে কোনও যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা গেল না। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের পরিস্থিতির কারণেই সদস্য দেশগুলির মধ্যে ঐক্যমত্য গড়ে তোলা যায়নি বলে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে।
ভারতের তরফে প্রকাশিত চেয়ার’স স্টেটমেন্টেও মতপার্থক্যের বিষয়টি উল্লিখিত রয়েছে। মূলত ইরান যুদ্ধ এবং প্যালেস্টাইন সমস্যা নিয়েই এই মতবিরোধ। শুক্রবার বৈঠকের দ্বিতীয় তথা শেষ দিনে প্রকাশ্য বাদানুবাদে জড়িয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি ও আমিরশাহির বিদেশমন্ত্রী খলিফা শহিন আল মারার মধ্যে ঝগড়া থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে হল রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভকে!
বৃহস্পতিবার থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া দু’দিনের ব্রিকস বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সদস্য দেশগুলির পারস্পরিক স্বার্থের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিষয়গুলি ছিল। এই সম্মেলনে হরমুজ় প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে অচলাবস্থা কাটানোর বিষয়টি গুরত্ব পায় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বক্তৃতায়। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার দুই বিদেশমন্ত্রীর সংঘাতে তাল কেটে যায় আলোচনার।
আরও পড়ুন:
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলর যৌথ হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার মিত্র দেশগুলির উপর পালটা হামলা শুরু করে তেহরান। রেহাই পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও। পরে জানা যায়, সেই হামলার পালটা ইরানের দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল আমিরশাহিও। শুক্রবার ব্রিকস বৈঠক চলাকালীন আমিরশাহির জ্বালানি পরিকাঠামোয় ইরানের হামলার প্রসঙ্গ ওঠে। যার জেরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে।