নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই তৎপর কলকাতা পুলিশ। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত হিসাব-বহির্ভূত কত নগদ, অস্ত্র, মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানই তুলে ধরল তারা। পুলিশ জানিয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ ১ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ৩৫ জন।
কলকাতায় ১ জানুয়ারি থেকে ৩৪টি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২২৮টি বোমা, ৮৩টি গোলাবারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। পাশাপাশি, ৩৪.২ কেজি বিস্ফোরকও উদ্ধার হয়েছে। এই সংক্রান্ত ঘটনায় ৩৪টি মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ২৭ জনকে।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
গাঁজা, হেরোইনের মতো মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ১৬১.৫৪ কেজি গাঁজা এবং ০.৫৪৩ কেজি হেরোইন বাজেয়াপ্ত করেছে কলকাতা পুলিশ। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে ১৫০টি কাশির ওষুধের শিশিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ৮৩৬.৯৩ লিটার মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
শুক্রবারই জোড়াসাঁকো এলাকায় নাকা তল্লাশি চালিয়ে নগদ উদ্ধার করা হয়। এমডি রোড এবং স্ট্র্যান্ড রোডের ক্রসিংয়ে নাকা চেকিংয়ের সময় প্রেমকুমার দাস নামে এক যুবককে আটক করেন পুলিশের ফ্লাইং স্কোয়াডের (এফএস) সদস্যেরা। তাঁর কাছে থাকা ব্যাগ থেকে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার করেন তাঁরা। পরে গুনে দেখা যায় ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৫০০ টাকা। কোথা থেকে ওই টাকা এল, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন প্রেম, তা নিয়ে সন্দেহ হয় পুলিশের। জিজ্ঞাসাবাদে প্রেম জানান, ওই টাকা তাঁর ব্যবসা সংক্রান্ত। তবে ওই টাকার কোনও বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি।
ময়দান এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি নারকোটিক সেল। শুক্রবার সকালে ময়দান এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ২০ কেজির নিষিদ্ধ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় জয়দেব পাইক, রাজু সর্দার এবং উষা সর্দার নামে তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
২০:২৯
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল টিএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার? -
১৯:১৭
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা -
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত