Advertisement
E-Paper

ব্যর্থ কোহলি, শীর্ষে ওঠার সুযোগ হারাল বেঙ্গালুরু, মার্শের ব্যাটিং, প্রিন্সের বোলিংয়ে জিতে প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল লখনউ

জিতলেই আইপিএলের শীর্ষে উঠে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু পচা শামুকে পা কাটল বেঙ্গালুরু। একানা স্টেডিয়ামে লখনউয়ের কাছে হেরে গেল তারা। জিতে ঋষভ পন্থের দল খাতায়-কলমে বাঁচিয়ে রাখল প্লে-অফে খেলার আশা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৬ ০০:২৮
cricket

শতরানের পর মার্শের উচ্ছ্বাস। ছবি: পিটিআই।

জিতলেই আইপিএলের শীর্ষে উঠে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু পচা শামুকে পা কাটল বেঙ্গালুরু। একানা স্টেডিয়ামে লখনউয়ের কাছে হেরে গেল তারা। জিতে ঋষভ পন্থের দল খাতায়-কলমে বাঁচিয়ে রাখল প্লে-অফে খেলার আশা। যদিও সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। লখনউকে জেতাল মিচেল মার্শের শতরান এবং প্রিন্স যাদব ও শাহবাজ় আহমেদের বোলিং। প্রথমে ব্যাট করে ১৯ ওভারে ২০৯/৩ তুলেছিল লখনউ। জবাবে বেঙ্গালুরু থেমে যায় ২০৩/৬ রানে। বৃষ্টির কারণে দুই দলই এক ওভার করে কম খেলেছে।

লখনউয়ের পিচে ২১০ রান তাড়া করা বেশ চাপের। কারণ চলতি মরসুমে মন্থর পিচই দেখা গিয়েছে একানায়। বেঙ্গালুরু আরও চাপে পড়ে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে। প্রথম ওভারেই জেকব বেথেলকে (৪) ফিরিয়ে দেন মহম্মদ শামি। দ্বিতীয় ওভারে বিরাট কোহলিকে বোল্ড করে দেন প্রিন্স যাদব।

দলের হাল ধরতে নামেন দেবদত্ত পডিক্কল এবং রজত পাটীদার। আস্কিং রেটের কারণে ধীরে খেলার সুযোগ ছিল। তাই শুরু থেকেই দু’জনে চালিয়ে খেলতে থাকেন। সাফল্যও পান। দুই ক্রিকেটারের দাপটে দিশেহারা হয়ে যান লখনউয়ের বোলারেরা। তৃতীয় ওভারে ৯৫ রানের জুটি হয়। পডিক্কলকেও (৩৪) ফিরিয়ে দেন প্রিন্স। সেই ওভারে জিতেশ শর্মাকেও (১) ফেরান তিনি।

আবারও চাপ বাড়ে বেঙ্গালুরুর। তবে একটা দিক ধরে রেখে অর্ধশতরান করেন পাটীদার। তিনিও চালাতে গিয়ে আউট হন। ৩টি চার এবং ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৩১ বলে ৬১ করেন। টিম ডেভিডের সামনেও আগ্রাসী ক্রিকেট খেলা ছাড়া সুযোগ ছিল না। তিনি ৪টি চার এবং ৩টি ছয় মেরে আউট হন শাহবাজ়ের বলে। বাকিরা চেষ্টা করেও জেতাতে পারেননি বেঙ্গালুরুকে।

টসের সময়েই পন্থ বলেছিলেন, লখনউয়ের এই পিচে ১৮০-১৯০ রান তুললেই তাঁরা লড়াই করতে পারবেন। প্রথমে ব্যাট করে তার থেকে ২০ রান বেশি তোলে লখনউ। সৌজন্যে মার্শের শতরান। নজির গড়েন অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। বৃষ্টির কারণে অন্তত তিন বার ম্যাচ বন্ধ করতে হয়েছে। ওভারও কমে একটি।

এ দিন জশ ইংলিসকে ছাড়াই নেমেছিল লখনউ। তাই মার্শের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন আর্শিন কুলকার্নি। শুরু থেকেই তাঁর ভূমিকা ছিল একটি দিক ধরে রাখার। কারণ উল্টো দিক থেকে তাণ্ডব শুরু করে দিয়েছিলেন মার্শ। ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হেজ়লউড, সুযশ শর্মা, রশিখ দার— কাউকেই রেয়াত করেননি তিনি। বৃষ্টি এসে বার বার খেলা থামিয়ে দিলেও মার্শের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকার সময়েও মার্শকে গ্লাভস-প্যাড পরে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে।

লখনউকে প্রথম ধাক্কাটা দেন ক্রুণাল। ২৪ বলে ১৭ করে ফিরে যান কুলকার্নি। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৯৫ রান। এ দিনও তিনে নামানো হয়েছিল নিকোলাস পুরানকে। পছন্দের জায়গায় খারাপ খেলেননি তিনিও। কুলকার্নির মতোই তিনিও মার্শকে যতটা বেশি সম্ভব স্ট্রাইক দিতে থাকেন। তাঁরা ৭০ রানের জুটি গড়েন। ৯টি চার এবং ৯টি ছয় মেরে ৫৬ বলে ১১১ করেন মার্শ। হেজ়লউডের বলে ফিরে যান তিনি।

পন্থ নেমেছিলেন চারে। তাঁকেও চালিয়ে খেলতে দেখা গিয়েছে। একটি চার মারতে গিয়ে তাঁর হাত থেকে ব্যাট ছিটকে যায়। তবু থামার লক্ষণ দেখাননি। শেষ পর্যন্ত ১০ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষেপে
  • ২৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। গত বছর প্রয়াত ১১ সমর্থকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বার হয়নি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
  • এখনও পর্যন্ত আইপিএলের গ্রুপ পর্বের ৭০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা হয়েছে। প্রথমে ২০টি ম্যাচের সূচি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পরে বাকি ৫০টি ম্যাচেরও সূচি ঘোষণা করেছে তারা। তবে প্লে-অফের সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
  • আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি, পাঁচ বার করে ট্রফি জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে তিন বার। গত বছর প্রথম বার ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু।
RCB LSG Mitchell Marsh Shahbaz Ahmed
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy