সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২৯১টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল। বাকি তিনটি আসন তারা ছেড়ে দিয়েছে অনীত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (বিজিপিএম)-কে। ‘মমতাপন্থী’ বলে পরিচিত অনীতের দল পাহাড়ে দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়াং থেকে একক ভাবেই লড়াই করছে। তাদের সমর্থন করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। মঙ্গলবার ২৯১টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল। এর মধ্যে ৫২ জন মহিলা প্রার্থী। প্রার্থিতালিকায় এমন কয়েক জন রয়েছেন যাঁরা কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরও। যেমন, দেবাশিস কুমার, রত্না চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, বিজয় উপাধ্যায়, অতীন ঘোষ প্রমুখ। আবার অনেক বিদায়ী বিধায়ক আছেন, যাঁরা এ বার টিকিট পাননি।
দুবরাজপুরে চন্দ্রনরেশ বাউড়ি, সিউড়িতে উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়, বোলপুরে চন্দ্রনাথ সিংহ, নানুরে বিধানচন্দ্র মাজি, লাভপুরে অভিজিৎ সিংহ, সাঁইথিয়ায় লীলাবতী সাহা, ময়ূরেশ্বরে অভিজিৎ রায়, রামপুরহাটে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, হাসনে ফয়জুল হক (কাজল শেখ), নলহাটি রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিংহ, মুরারইয়ে মুশারফ হোসেন।
খণ্ডঘোষে নবীনচন্দ্র বাগ, বর্ধমান দক্ষিণে খোকন দাস, রায়নাতে মন্দিরা দোলুই, জামালপুরে ভূতনাথ মল্লিক, মন্তেশ্বরে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, কালনায় দেবপ্রসাদ বাগ, মেমারিতে রাসবিহারী হালদার, বর্ধমান (উত্তর) নিশীথকুমার মালিক, ভাতারে শান্তনু কোনার, পূর্বস্থলি (দক্ষিণ) স্বপন দেবনাথ, পূর্বস্থলি (উত্তর) বসুন্ধরা গোস্বামী, কাটায়োয় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কেতুগ্রামে শেখ শাহনওয়াজ়, মঙ্গলকোটে অপূর্ব চৌধুরী (অচল), আউশগ্রামে শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, গলসিতে অলোককুমার মাজি, পাণ্ডবেশ্বরে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, দুর্গাপুরে (পূর্ব) প্রদীপ মজুমদার, দুর্গাপুরে (পশ্চিম) কবি দত্ত, রানিগঞ্জে কালোবরণ মণ্ডল, জামুড়িয়ায় হরেরাম সিংহ, আসানসোলে (দক্ষিণ) তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, আসানসোলে (উত্তর) মলয় ঘটক, কুলটিতে অভিজিৎ ঘটক, বারাবনি-তে বিধান উপাধ্যায়।
বান্দোয়ান রাজীবলোচন সোরেন, বলরামপুরে শান্তিরাম মাহাতো, বাঘমুন্ডি সুশান্ত মাহাতো, জয়পুরের প্রার্থী অর্জুন মাহাতো, পুরুলিয়ায় সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, মানবাজারে সন্ধ্যারানি টুডু, কাশীপুরে সৌমেন বেলথারিয়া, পারায় মৈনাক বাউড়ি, রঘুনাথপুরে হাজারি বাউড়ি, বাঁকুড়ার শালতোড়ায় উত্তম বাউড়ি, ছাতনায় স্বপনকুমার মণ্ডল, রানিবাঁধে তনুশ্রী হাঁসদা, রায়পুরে ঠাকুরমণি সোরেন, তালড্যাংরা ফাল্গুনী সিংহবাবু, বাঁকুড়ায় অনুপ মণ্ডল। বড়জোড়ায় প্রার্থী গৌতম মিশ্র, ওন্দায় সুব্রত দত্ত, বিষ্ণুপুরে তন্ময় ঘোষ, কোতুলপুরে হরকালী প্রতিহার, ইন্দাসে শ্যামলী রায় বাগদি, সোনামুখীতে কল্লোল সাহা।
দাঁতনে মানিক মাইতি, কেশিয়াড়িতে রামজীবন মান্ডি, খড়্গপুর (সদর) প্রদীপ সরকার, নারায়ণগড়ে প্রতিভারানি মাইতি, সবংয়ে মানস ভুঁইয়া, পিংলায় অজিত মাইতি, খড়্গপুরে দীনেন রায়, ডেবরায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, দাসপুরে আশিস হুদাইত, ঘাটালে শ্যামলী সর্দার, চন্দ্রকোনায় সূর্যকান্ত দোলুই, গড়বেতায় উত্তরা সিংহ (হাজরা), শালবনিতে শ্রীকান্ত মাহাতো, কেশপুর শিউলি সাহা, মেদিনীপুরে সুজয় হাজরা, নয়াগ্রামে দুলাল মুর্মু, গোপীবল্লভপুরে অজিত মাহাতো, ঝাড়গ্রাম মঙ্গল সোরেন, বিনপুরে বিরবাহা হাঁসদা।
তমলুকে দীপেন্দ্র নারায়ণ রায়, পাঁশকুড়া (পূর্ব) অসীমকুমার মাজি, পাঁশকুড়া (পশ্চিম) সিরাজ খান, ময়নায় চন্দন মণ্ডল, নন্দকুমারে সুকুমার দে, মহিষাদলে তিলককুমার চক্রবর্তী, হলদিয়ায় তাপসী মণ্ডল, নন্দীগ্রামে পবিত্র কর, চণ্ডীপুরে উত্তম বারিক, পটাশপুরে পীযূষকান্তি পণ্ডা, কাঁথি (উত্তর) দেবাশিস ভুঁইয়া, ভগবানপুরে মানবকুমার পড়ুয়া, খেজুরিতে রবীনচন্দ্র মণ্ডল, কাঁথি (দক্ষিণ) তরুণকুমার জানা, রামনগরে অখিল গিরি, এগরায় তরুণ মাইতিকে টিকিট দিয়েছেন মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
উত্তরপাড়ায় শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীরামপুরে তন্ময় ঘোষ, চাঁপদানিতে অরিন্দম গুইন, সিঙ্গুরে বেচারাম মান্না, চন্দননগরে ইন্দ্রনীল সেন, চুঁচুড়ায় দেবাংশু ভট্টাচার্য, বলাগড়ে রঞ্জন ধাড়া, পাণ্ডুয়ায় সমীর চক্রবর্তী (বুয়া), সপ্তগ্রাম বিদেশ বসু, চণ্ডীতলায় স্বাতী খন্দকার, জাঙ্গিপাড়ায় স্নেহাশিস চক্রবর্তী, হরিপালে করবী মান্না, ধনিয়াখালিতে অসীমা পাত্র, তারকেশ্বরে রামেন্দু সিংহরায়, পুরশুরায় পার্থ হাজারি, আরামবাগে মিতা বাগ, গোঘাটে নির্মল মাজি এবং খানাকুলে পলাশ রায়।
বালিতে কৈলাস মিশ্র, হাওড়া (উত্তর) গৌতম চৌধুরী, হাওড়া (মধ্য) অরূপ রায়, শিবপুর রানা চট্টোপাধ্যায়, হাওড়া (দক্ষিণ) নন্দিতা চৌধুরী, সাঁকরাইল প্রিয়া পাল, পাঁচলা গুলশন মল্লিক, উলুবেড়িয়া (পূর্ব) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, উলুবেড়িয়া (উত্তর) বিমলকুমার দাস, উলুবেড়িয়া (দক্ষিণ) পুলক রায়, শ্যামপুর নদেবাসি জানা, বাগনান অরুণাভ সেন, আমতায় সুকান্ত পাল, উদয়নারায়ণপুরে সমীরকুমার পাঁজা, জগৎবল্লভপুরে সুবীর চট্টোপাধ্যায় এবং ডোমজুড়ে তাপস মাইতি।
কলকাতা বন্দরের প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম এবং ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়াও, রাসবিহারীতে প্রার্থী দেবাশিস কুমার, বালিগঞ্জে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চৌরঙ্গিতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, এন্টালিতে সন্দীপন সাহা, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, জোড়াসাঁকোয় বিজয় উপাধ্যায়, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা, মানিকতলায় শ্রেয়া পাণ্ডে এবং কাশিপুর-বেলগাছিয়ায় অতীন ঘোষ।
ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদার। ফলতায় জাহাঙ্গির খান, সাতগাছিয়ায় সোমাশ্রী বেতাল, বিষ্ণুপুরে দিলীপ মণ্ডল, সোনারপুর (দক্ষিণ) অরুন্ধতী মৈত্র (লাভলি), ভাঙড়ে শওকত মোল্লা, কসবায় জাভেদ আহমেদ খান। যাদবপুরে দেবব্রত মজুমদার, সোনারপুর (উত্তর) ফিরদৌসি বেগম, টালিগঞ্জে অরূপ বিশ্বাস, বেহালা (পূর্ব) শুভাশিস চক্রবর্তী, বেহালা (পশ্চিম) রত্না চট্টোপাধ্যায়, মহেশতলায় শুভাশিস দাস, বজবজে অশোককুমার দেব, মেটিয়াবুরুজে আব্দুল খালেক মোল্লা।
গোসাবায় সুব্রত মণ্ডল, বাসন্তীতে নীলিমা বিশাল মিস্ত্রি, কুলতলিতে গণেশচন্দ্র মণ্ডল, পাথরপ্রতিমায় সমীরকুমার জানা, কাকদ্বীপে মন্টুরাম পাখিরা, সাগরে বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, কুলপিতে বর্ণালী ধাড়া, রায়দিঘিতে তাপস মণ্ডল, মন্দিরবাজারে জয়দেব হালদার। জয়নগরে প্রার্থী হয়েছেন বিশ্বনাথ দাস, বারুইপুর (পূর্ব) বিভাস সর্দার, ক্যানিং (পশ্চিম) পরেশরাম দাস, ক্যানিং (পূর্ব) বাহারুল ইসলাম, বারুইপুর (পশ্চিম) বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মগরাহাট পূর্বে শর্মিষ্ঠা পুরকাইত এবং মগরাহাট পশ্চিমে শামিম আহমেদ।
রাজারহাট-নিউটাউনে তাপস চট্টোপাধ্যায়, বিধাননগরে সুজিত বসু, রাজারহাট-গোপালপুর অদিতি মুন্সি, মধ্যমগ্রামে রথীন ঘোষ, বারাসতে সব্যসাচী দত্ত, দেগঙ্গায় আনিসুর রহমান (বিদেশ), হাড়োয়ায় মহম্মদ মুফতি আব্দুল মতিন (মতিন সাহেব), মিনাখাঁয় উষারানি মণ্ডল, সন্দেশখালিতে ঝর্না সর্দার, বসিরহাট দক্ষিণে সুরজিৎ মিত্র (বাদল), বসিরহাট (উত্তর) মহম্মদ তৌসিফ রহমান, হিঙ্গলগঞ্জে আনন্দ সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে।
বাগদায় মধুপর্ণা ঠাকুর, বনগাঁ (উত্তর) বিশ্বজিৎ দাস, বনগাঁ (দক্ষিণ) ঋতুপর্ণা আঢ্য, গাইঘাটায় নরোত্তম বিশ্বাস, স্বরূপনগরে বীণা মণ্ডল, বাদুড়িয়ায় বুরহানুল মোকাদ্দিন (লিটন), হাবড়ায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু), অশোকনগরে নারায়ণ গোস্বামী, আমডাঙায় পীরজাদা কাশেম সিদ্দিকি, বীজপুরে সুবোধ অধিকারী, নৈহাটিতে সনৎ দে, ভাটপাড়ায় অমিত গুপ্ত, জগদ্দলে সোমনাথ শ্যাম, নোয়াপাড়ায় তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, ব্যারাকপুরে রাজু চক্রবর্তী (রাজ, চিত্রপরিচালক), খড়দহে দেবদীপ পুরোহিত, দমদম উত্তরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পানিহাটিতে তীর্থঙ্কর ঘোষ, কামারহাটিতে মদন মিত্র, বরাহনগরে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, দমদমে ব্রাত্য বসুকে প্রার্থী করা হয়েছে।
করিমপুরে সোহম চক্রবর্তী (অভিনেতা), তেহট্টে দিলীপ পোদ্দার, পলাশিপাড়ায় রুকবানুর রহমান, কালীগঞ্জে আলিফা আহমেদ, নাকাশিপাড়ায় কল্লোল খাঁ, চাপড়ায় জাবের শেখ, কৃষ্ণনগর (উত্তর) অভিনব ভট্টাচার্য, নবদ্বীপে পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, কৃষ্ণনগর (দক্ষিণ) উজ্জ্বল বিশ্বাস, শান্তিপুরে ব্রজকিশোর গোস্বামী, রানাঘাট (উত্তর-পশ্চিম) তাপস ঘোষ, কৃষ্ণগঞ্জে সমীরকুমার পোদ্দার, রানাঘাট (উত্তর-পূর্ব) বর্ণালী দে রায়, রানাঘাট দক্ষিণে সৌগতকুমার বর্মণ, চাকদহে শুভঙ্কর সিংহ (যিশু), কল্যাণীতে অতীন্দ্রনাথ মণ্ডল, হরিণঘাটায় রাজীব বিশ্বাস।
ফরাক্কায় আমিরুল ইসলাম, শমসেরগঞ্জে নূর আলম, সুতিতে ইমানি বিশ্বাস, জঙ্গিপুরে জাকির হোসেনকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। রঘুনাথগঞ্জে জনাব আখরোজ্জমান, সাগরদিঘিতে বাইরন বিশ্বাস, লালগোলা আব্দুল আজ়িজ, ভগবানগোলায় রেয়াত হোসেন সরকার। রানিনগরে সৌমিক হোসেন, মুর্শিদাবাদে শাওনি সিংহ রায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে। নবগ্রামে প্রণবচন্দ্র দাস, খড়গ্রামে আশিস মারজিত, বড়ঞা প্রতিমা রজক, কান্দিতে অপূর্ব সরকার (ডেভিড)। ভরতপুরে মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন), রেজিনগরে আতাউর রহমান, বেলডাঙায় রবিউল আলম চৌধুরী, বহরমপুরে নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়, হরিহরপাড়ায় নিয়ামত শেখ, নওদায় শাহিনা মুমতাজ, ডোমকলে হুমায়ুন কবীর (প্রাক্তন আইপিএস), জলঙ্গিতে বাবর আলি।
মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে মহম্মদ মাতেবুর রহমান, মালতিপুর আব্দুর রহিম বক্সি, রতুয়ায় সমর মুখোপাধ্যায়, মানিকচকে কবিতা মণ্ডলকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। মালদহে প্রার্থী হয়েছেন লিপিকা বর্মণ ঘোষ। ইংরেজবাজারে আশিস কুন্ডু, মোথাবাড়িতে মহম্মদ নজরুল ইসলাম, সুজাপুরে সাবিনা ইয়াসমিন, বৈষ্ণবনগরে চন্দনা সরকার প্রার্থী হয়েছেন।
কুমারগঞ্জে তৃণমূল টিকিট দিয়েছে তোরাফ হোসেন মণ্ডলকে। বালুরঘাটে অর্পিতা ঘোষ, তপনে চিন্তামণি বিহা, গঙ্গারামপুরে গৌতম দাস, হরিরামপুরে বিপ্লব মৈত্র, হবিবপুরে (মালদহ) অমল কিস্কু, গাজলে প্রসেনজিৎ দাস, চাঁচলে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হয়েছেন।
মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি থেকে প্রার্থী শঙ্কর মালাকার। শিলিগুড়িতে প্রার্থী হলেন গৌতম দেব। ফাঁসিদেওয়ায় রিনা টোপ্পো এক্কা, চোপড়ায় হামিদুল রহমান, ইসলামপুরে কানাইলাল আগরওয়াল, গোয়ালপোখরে মহম্মদ গোলাম রব্বানি, চাকুলিয়ায় মিনাজুল আরফিন আজ়াদ, করণদিঘিতে গৌতম পাল, হেমতাবাদে সত্যজিৎ বর্মণ, কালিয়াগঞ্জে নিতাই বৈশ্য, রায়গঞ্জে কৃষ্ণ কল্যাণী, ইটাহারে মুশারফ হোসেন, কুশমন্ডিতে রেখা রায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল।
কালচিনিতে প্রার্থী বীরেন্দ্র বরা, আলিপুরদুয়ারে সুমন কাঞ্জিলাল, ফালাকাটায় সুভাষচন্দ্র রায়, মাদারিহাটে জয়প্রকাশ টোপ্পো, ধূপগুড়িতে নির্মল রায়, ময়নাগুড়িতে রামমোহন রায়, জলপাইগুড়িতে কৃষ্ণ দাস, রাজগঞ্জে স্বপ্না বর্মণ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি রঞ্জন শীল শর্মা, মালে বুলুচিক বরাইক, নাগরাকাটায় সঞ্জয় কুজুর প্রার্থী হয়েছেন।
মেখলিগঞ্জে প্রার্থী হয়েছেন পরেশচন্দ্র অধিকারী, মাথাভাঙা সাবলু বর্মণ, কোচবিহার উত্তরে পার্থ রায়, কোচবিহার দক্ষিণে অভিজিৎ দে ভৌমিক, শীতলকুচিতে হরিহর দাস, সিতাই সঙ্গীতা রায় বাসুনিয়া, দিনহাটায় প্রার্থী হলেন উদয়ন গুহ। এ ছাড়া নাটাবাড়িতে শৈলেন বর্মা, তুফানগঞ্জে শিবশঙ্কর পাল, কুমারগঞ্জে রাজীব তিরকেকে টিকিট দিল তৃণমূল।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy