Advertisement

নবান্ন অভিযান

‘৪ মে-র পর নারী নির্যাতনের সব ফাইল খুলবে’! আরজি করে নির্যাতিতার মা-কে পাশে নিয়ে কী ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রী মোদীর?

পানিহাটির সভায় তৃণমূলকে ‘নারীবিরোধী দল’ বলে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। নির্যাতিতার মা-কে পাশে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই মা মেয়েকে ডাক্তার বানিয়েছিলেন। তৃণমূলের জঙ্গলরাজ সেই মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়েছে।”

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৫০
পানিহাটির সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পানিহাটির সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত।

৪ মে-র পর রাজ্যে নারী নির্যাতনের সমস্ত ফাইল খোলা হবে! পানিহাটির সভায় আরজি কর হাসপাতালের নির্যাতিতার মা-কে পাশে নিয়ে এই প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শুক্রবার পানিহাটিতে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পানিহাটি এবং সংলগ্ন বিধানসভা কেন্দ্রগুলির বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সভা থেকে তৃণমূলকে ‘নারীবিরোধী দল’ বলে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে ফের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন তিনি। নির্যাতিতার মা-কে পাশে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই মা মেয়েকে ডাক্তার বানিয়েছিলেন। তৃণমূলের জঙ্গলরাজ সেই মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা তাঁর মাকে প্রার্থী করেছি।”

সভায় মোদী বলেন, “তৃণমূলের নির্মম সরকার মেয়েদের বলে, ধর্ষণ থেকে বেঁচে থাকতে হলে ঘর থেকে বাইরে বেরোবেন না। মহিলারা খোলা আকাশে স্বপ্ন দেখুক, তৃণমূল এটা চায় না। তাই প্রত্যেক মহিলাকে আশ্বাস দিচ্ছি, বিজেপি তাঁদের স্বপ্ন নষ্ট হতে দেবে না। বোনেদের সুরক্ষা আমাদের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।” এই সূত্রেই প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন, “৪ মে বিজেপি সরকার গঠন করার পর মেয়েদের উপর হওয়া সব অন্যায়-অত্যাচারের ফাইল খুলবে। এটাই মোদীর গ্যারান্টি।”

পানিহাটির সভা থেকে মহিলাদের একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন মোদী। বলেন, “বিজেপি মহিলাদের সম্মান, সুরক্ষা এবং সমৃদ্ধি দেবে। প্রত্যেক মহিলা বিনা পয়সায় রেশন পাবেন। কোনও সিন্ডিকেট আপনার অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারবেন না। ঘর তৈরির স্বপ্ন পূরণ হবে।” মোদী জানান, পিএম আবাস যোজনায় দেড় লক্ষ টাকায় বাড়ি তৈরির সহায়তা মিলবে। যে ঘর তৈরি হবে, তা মহিলাদের নামেই তৈরি হবে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে মহিলাদের ৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা বিনামূল্যে মিলবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Narendra Modi RG Kar Rape and Murder Case RG Kar Case Panihati
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy