৪ মে-র পর রাজ্যে নারী নির্যাতনের সমস্ত ফাইল খোলা হবে! পানিহাটির সভায় আরজি কর হাসপাতালের নির্যাতিতার মা-কে পাশে নিয়ে এই প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শুক্রবার পানিহাটিতে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পানিহাটি এবং সংলগ্ন বিধানসভা কেন্দ্রগুলির বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সভা থেকে তৃণমূলকে ‘নারীবিরোধী দল’ বলে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে ফের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন তিনি। নির্যাতিতার মা-কে পাশে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই মা মেয়েকে ডাক্তার বানিয়েছিলেন। তৃণমূলের জঙ্গলরাজ সেই মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা তাঁর মাকে প্রার্থী করেছি।”
সভায় মোদী বলেন, “তৃণমূলের নির্মম সরকার মেয়েদের বলে, ধর্ষণ থেকে বেঁচে থাকতে হলে ঘর থেকে বাইরে বেরোবেন না। মহিলারা খোলা আকাশে স্বপ্ন দেখুক, তৃণমূল এটা চায় না। তাই প্রত্যেক মহিলাকে আশ্বাস দিচ্ছি, বিজেপি তাঁদের স্বপ্ন নষ্ট হতে দেবে না। বোনেদের সুরক্ষা আমাদের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।” এই সূত্রেই প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন, “৪ মে বিজেপি সরকার গঠন করার পর মেয়েদের উপর হওয়া সব অন্যায়-অত্যাচারের ফাইল খুলবে। এটাই মোদীর গ্যারান্টি।”
পানিহাটির সভা থেকে মহিলাদের একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন মোদী। বলেন, “বিজেপি মহিলাদের সম্মান, সুরক্ষা এবং সমৃদ্ধি দেবে। প্রত্যেক মহিলা বিনা পয়সায় রেশন পাবেন। কোনও সিন্ডিকেট আপনার অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারবেন না। ঘর তৈরির স্বপ্ন পূরণ হবে।” মোদী জানান, পিএম আবাস যোজনায় দেড় লক্ষ টাকায় বাড়ি তৈরির সহায়তা মিলবে। যে ঘর তৈরি হবে, তা মহিলাদের নামেই তৈরি হবে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে মহিলাদের ৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা বিনামূল্যে মিলবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৪:৩১
নির্বাচনী কাজে বাস অধিগ্রহণে অগ্রিম না মেলায় ক্ষোভ, দ্রুত অর্থ প্রদানের দাবিতে সরব বেসরকারি বাসমালিকেরা -
১৪:০৭
কিছু জেলায় তৃণমূল খাতাই খুলতে পারবে না! দ্বিতীয় দফায় প্রথম দিনের রেকর্ড ভাঙার ডাক মোদীর, বারুইপুর থেকে বার্তা -
১৩:৩০
৯৩% ভোট নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত বিশ্লেষণ! কিসের আশঙ্কা ছিল? ক’টি আসন ‘নিশ্চিত’? সকালে জানিয়ে দিলেন শাহ -
১১:২৮
১৫২-তে ১১০! রাতে বিশ্লেষণ করে সকালে বিজেপির প্রথম দফার ‘মার্কশিট’ প্রকাশ শাহের, দ্বিতীয় দফার জন্য বিশেষ বার্তা -
১০:৩৫
ভোটের মুখে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি-কে সাসপেন্ডের নির্দেশ কমিশনের, শুক্রবার এখানেই জনসভা রয়েছে শাহের