পশ্চিমবঙ্গে প্রচার কর্মসূচি সেরে শুক্রবার দিল্লি ফিরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার তিনি ফের রাজ্যে আসছেন। এ বার কর্মসূচি খাস কলকাতায়। রবিবার বিকেলেই তিনি উত্তর কলকাতায় রোড শো করবেন। এ ছাড়া, জেলায় আরও দু’টি জনসভা রয়েছে।
বিজেপি সূত্রে খবর, রবিবার, ২৬ এপ্রিল দুপুরে বনগাঁয় প্রথম জনসভা করবেন মোদী। বনগাঁর ঠাকুরনগরে তাঁর জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় দুপুর ২টো ১৫ মিনিট। সেখানে সভা সেরে মোদী যাবেন হুগলিতে। আরামবাগের হরিপাল এলাকায় তাঁর দ্বিতীয় জনসভা রয়েছে। তার নির্ধারিত সময় বিকেল ৩টে ৪৫ মিনিট। এর পরেই কলকাতায় আসবেন মোদী।
আরও পড়ুন:
আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে মোদীর রোড শো শুরু হওয়ার কথা। শোভাবাজারের বিকে পাল অ্যাভিনিউ থেকে মিছিল শুরু হবে। খান্না ক্রসিং পর্যন্ত তা চলবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ মোদীর কর্মসূচি শেষ হবে বলে এখনও পর্যন্ত খবর। কলকাতার বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে তিনি প্রচার করবেন। এর ফলে বিকেলের দিকে শহরের রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে।
গত ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের ১৫২টি আসনে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোট পড়েছে ৯২.৮৮ শতাংশ। ২৯ এপ্রিল, বুধবার দ্বিতীয় দফায় বাকি ১৪২টি আসনেও ভোট রয়েছে। ভোটে কড়া নজরদারির বন্দোবস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের প্রচারে বার বার রাজ্যে এসেছেন মোদী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যেই রয়ে গিয়েছেন দীর্ঘ দিন। দ্বিতীয় দফার জন্য আপাতত সব দলই শেষ মুহূর্তের প্রচার সারছে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে পর পর দু’টি জনসভা করবেন। শুক্রবার মোদী পানিহাটিতে জনসভা করে গিয়েছেন। আরজি করে নির্যাতিতার মাকে পাশে নিয়ে বিজেপি-কে জেতানোর বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। এক দিনের ব্যবধানে এ বার কলকাতায় প্রচারে মোদী।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০০:২০
পুনর্নির্বাচন হবে না পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার একটি বুথেও! ঘোষণা করে দিল কমিশন, প্রয়োজন নেই তামিলনাড়ুতেও -
২৩:২৮
ভবিষ্যদ্বাণী করছি, নন্দীগ্রামে জিতবে তৃণমূল: অভিষেক! শুভেন্দুর দাবি, ভবানীপুরেও তিনি হারিয়ে দেবেন মমতাকে -
২১:১৮
‘ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে বাইকে নিষেধাজ্ঞা নয়’! কমিশনের বিজ্ঞপ্তিকে মান্যতা দিল না হাই কোর্ট, করে দিল সংশোধনও -
১৯:৩৪
‘তৃণমূলে এসে লুটেপুটে খেল, ইডি দেখে বিজেপি হয়ে গেল’! ভবানীপুরে নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ মমতার -
১৯:৩০
মদের দোকানে হুড়োহুড়ি, প্রায় শেষ ‘স্টক’! কী ভাবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের চাহিদা সামলাবেন? চিন্তায় ব্যবসায়ীরা