রাজ্যের সরকারি দফতরগুলি থেকে যেন কোনও নথি বা একটি ফাইলও সরানো বা নষ্ট করা না হয়। কোনও ফাইল থেকে যেন কোনও তথ্য টুকেও না রাখা হয়। এই বিষয়গুলি রাজ্যের সব দফতরের সচিব এবং প্রধানদের নিশ্চিত করতে বললেন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা। সোমবার, ভোট গণনার দিনেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করলেন তিনি। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পরে মুখ্যসচিব পদে বসানো হয়েছিল দুষ্মন্তকে।
সোমবার রাজ্যে বিধানসভা ভোটের গণনা চলছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত যা ফল, তাতে দেখা গিয়েছে, ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে বিজেপি। গণনার মাঝেই মুখ্যসচিবের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে জানানো হয়েছে, রাজ্যের সরকারি দফতরগুলি থেকে যেন একটি ফাইল বা নথিও সরানো বা নষ্ট করা না হয়। কোনও ফাইল বা তথ্য যেন কেউ ‘কপি’ করতে না পারে, তা-ও ব্যক্তিগত ভাবে নিশ্চিত করতে হবে দফতরের সচিব এবং প্রধানদের। এ ধরনের কিছু ঘটলে তার দায় চাপবে ওই আধিকারিকদের উপরেই।
আরও পড়ুন:
রাজ্যের সব সরকারি দফতরের সচিব, বিভাগীয় প্রধানের পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি, আইজি, সকল বিভাগীয় কমিশনার, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, জেলাশাসকদেরও নির্দেশিকাটি পাঠানো হয়েছে। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পরেই রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দুষ্মন্তকে ওই পদে বসানো হয়েছিল। এ বার সেই দুষ্মন্ত নির্দেশিকা জারি করলেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৯:০৮
জেল খেটে আসা বালুকে তাঁর কেন্দ্রেই প্রার্থী করেছিলেন মমতা! তিন বারের বিধায়ককে এ বার প্রত্যাখ্যান হাবড়ার -
১৮:৫৮
‘বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, এ বার বদলা নয়, বদল’, বলছেন মোদী, পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি -
১৮:৫৫
নিজের গড় নন্দীগ্রামকে আরও পোক্ত করলেন শুভেন্দু, বৃথা গেল তৃণমূলের ‘পবিত্র’ চেষ্টা! মিলল না অভিষেকের অনুমান -
১৮:৪৩
হুমায়ুন জিতে নিলেন নওদা, রেজিনগর দুই আসনই! বাবরি বিতর্ক, তৃণমূল থেকে বহিষ্কার, নতুন দল, এ বার কোন পথে? -
১৮:৩৬
মোদী বললেন ‘অবিস্মরণীয় জয়’! শাহের উচ্ছ্বাস: অনুপ্রবেশকারীর পৃষ্ঠপোষকদের ভালমতো জবাব দিয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ