Advertisement

নবান্ন অভিযান

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ৩৬ ঘণ্টায় ১৫৪৩ ‘ঝামেলাবাজ’কে গ্রেফতার করাল কমিশন, তালিকায় তৃণমূল কাউন্সিলরও

বুধবার রাজ্যের ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আগে ঝামেলা পাকাতে পারেন, এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সেই মতো গত ৩৬ ঘণ্টায় ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৫০

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে গত ৩৬ ঘণ্টায় ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। বুধবার রাজ্যের ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আগে ঝামেলা পাকাতে পারেন, এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।

ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার এক তৃণমূল কাউন্সিলরও। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই কাউন্সিলরের নাম নাড়ুগোপাল ভকত। তিনি বর্ধমান পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। রবিবার গভীর রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নাড়ুগোপালেপ বিরুদ্ধে বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা এবং ‘দাদাগিরি’ করার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ১০৯৫ জন ‘ঝামেলাবাজ’কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারির নিরিখে সবার প্রথমে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা। ওই জেলায় ৪৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ২৪৬ জনকে। নদিয়ায় গ্রেফতারির সংখ্যা ৩২। হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনায় গ্রেফতার করা হয়েছে যথাক্রমে ৪৯ জন এবং ৩১৯ জনকে।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
ECI West Bengal Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy