Advertisement

নবান্ন অভিযান

প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের ‘হুমকি’! কমিশনের নির্দেশে মুর্শিদাবাদের তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ

রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের তিনি হুমকি দেন। এমনটাই জানিয়েছে কমিশন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:৪২

— প্রতীকী চিত্র।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কমিশন জানিয়েছে, ধৃতের নাম রাজু মণ্ডল। তিনি মুর্শিদাবাদের তৃণমূল নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এর পরেই কমিশন পুলিশকে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দেয়। শুক্রবার রাতে কমিশনের তরফে জানানো হয়, ভোটারদের ভয় দেখানোর ঘটনায় অভিযুক্ত রাজুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের তিনি হুমকি দেন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি প্রচারে বেরিয়ে বলেন, ‘‘পদ্মফুলে ভোট দেওয়া যাবে না। যদি ভোট গন্ডগোল হয়েছে... ভোট দিতে যাওয়ার দরকার নেই। বাড়িতে আমি ছানাবড়া, রসগোল্লা পাঠিয়ে দেব। আর না হলে তৃণমূলকে ভোট দিতে হবে। এ বছর যেন ভোট নষ্ট না হয়!’’

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে রাজ্যে পুলিশ এবং প্রশাসনে রদবদল করেছিল কমিশন। মালদহ কাণ্ডে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসে কমিশন। সেখানে শীর্ষকর্তাদের কড়া বার্তা দেওয়া হয়। মালদহ কাণ্ডের তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে। এর পরে শুক্রবারও রাজ্যে অবাধ, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করাতে পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। কমিশনের নির্দেশেই মুর্শিদাবাদের এক তৃণমূল নেতাকে এ বার গ্রেফতার করল পুলিশ।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy