কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীকে নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বিজেপি কর্মীদের একাংশের মধ্যে, এমনটাই দলীয় সূত্রে খবর। সেই সূত্রেই জানা গিয়েছে, ক্ষোভ প্রকাশ করে শনিবার গভীর রাত থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগের তির সরাসরি জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের দিকে। বিক্ষুব্ধদের দাবি, টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীকে টিকিট দেওয়া হয়েছে, যা তৃণমূলের হাত শক্ত করারই নামান্তর। বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব বলছেন, দল যাঁকে প্রার্থী করবে, তাঁর হয়েই সকল কর্মীকে লড়তে হবে।
শনিবার রাতে রাজ্যের আরও পাঁচ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। তিন আসনে প্রার্থী বদলও করেছে। কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা আসনে তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে বিজেপি। অভিযোগ, এই ঘোষণার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় কৃষ্ণনগরে বিজেপির কার্যালয়ের সামনে। রাত ১২টা নাগাদ সেখানে কয়েকশো কর্মী-সমর্থক জড়ো হন বলে খবর। বিজেপির একটি সূত্রে খবর, বিক্ষোভে শামিল হন বেশ কয়েক জন মণ্ডল সভাপতি এবং পঞ্চায়েত প্রধানও। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে প্রার্থী বদল করতে হবে। অন্যথায় তাঁরা গণইস্তফা দিয়ে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করানোর পথে হাঁটবেন।
বিক্ষোভকারীদের একাংশের অভিযোগ, ঘোষিত প্রার্থীর সঙ্গে এলাকার মানুষের খুব একটা যোগাযোগ নেই। বিক্ষোভকারী এক নেতা বলেন, “টাকার বিনিময়ে এখানে প্রার্থী করা হয়েছে, যার ফলে এই আসনটি তৃণমূলের হাতে চলে যাবে। বিজেপি নেতৃত্ব জেনেবুঝে এই আসনটি শাসকদলকে উপহার দিতে চাইছে। আমরা এটা হতে দেব না।”
শনিবার রাত ২টো পর্যন্ত চলে এই বিক্ষোভ। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ আবার বড়সড় আন্দোলনের ডাক দেন বিজেপি কর্মীদের একটা অংশ। নদিয়া উত্তর সংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, ‘‘বিজেপি একটি সংগঠিত রাজনৈতিক দল। দল যাঁকে প্রার্থী নির্বাচিত করবে, তাঁকে জেতানো প্রত্যেক নেতা-কর্মীর দায়িত্ব। বিক্ষোভের নেপথ্যে অন্য কোনও অভিসন্ধি আছে কি না দেখতে হবে।’’ সূত্রের খবর, নির্বাচনের মুখে এই কোন্দলে দলের অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০০:৪২
‘এই জয় আমার, জয় সিপিএমের’! বাতিল ভোটারদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে দাবি মোস্তারির -
২৩:২২
তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ! রাজ্যের পাঁচ বিএলও-কে সাসপেন্ড করল কমিশন, তিন জনের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ -
২২:৪৮
‘প্রচার রুখতেই নজরবন্দি করা হচ্ছে’! দেবাশিস-সহ নানা তৃণমূল নেতার বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে কী কী বললেন মমতা -
২০:৩১
‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার, আমি এত উদার নই’! তারিখ দিয়ে ‘অত্যাচারের হিসাব’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের -
১৯:৩৩
পাহাড়ের জনতাকে ভোটমুখী করতে ‘হাতিয়ার’ টয় ট্রেন, দার্জিলিঙে যাত্রা শুরু করল ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’!