তিনি আপত্তি জানালে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে। এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে যান তিনি। পরে বিজেপি কার্যালয়ে এক সংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “আমি স্ক্রুটিনির সময় কোনও অবজেকশন দিইনি। আমার অবজেকশন দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। আমি নির্বাচনে হারাব। অবজেকশন জানালে ওর (পবিত্র কর) প্রার্থীপদ চলে যায়।” শুভেন্দু আরও বলেন, “একটা লোক বিজেপির প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য। পদত্যাগ না করেই বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনকে আমি প্রশ্ন করতে চাই, কোন আইনে আছে ভারতের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক একই সঙ্গে দু'টি রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারে?”
নাম না করে শুভেন্দু বলেন, “উনি বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের পদ্মফুলের পঞ্চায়েত মেম্বার। আর বিধানসভায় তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করছেন। আমি জানি উনি পদত্যাগ করেননি। কিন্তু আমি অবজেকশন দিলেই প্রার্থীপদ খারিজ হয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “ওকে তো কেউ চেনেই না। তাই আমি কোনও অবজেকশন দিইনি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে আমি প্রশ্ন করতে চাই, রিটার্নিং অফিসারকে প্রশ্ন করতে চাই কোন আইনে এক জন পদ্মফুলের পঞ্চায়েত মেম্বার জোড়া ফুলের প্রার্থী হন?”
আরও পড়ুন:
নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থীর এমন অভিযোগের জবাব পেতে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্রকে ফোন করা হলেও জবাব পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি-র প্রতীকে বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হন পবিত্র। কিন্তু ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে এসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন তিনি। ওই দিনই তাঁকে নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে প্রার্থী করা হয়।