Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভাঙড়ে নওশাদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, ভাঙল কাচ! তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আইএসএফের

আইএসএফ সূত্রে দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় ভাঙড়ের ব্যাওতা-১ অঞ্চলে দলীয় প্রচার কর্মসূচি ছিল নওশাদের। সেখানেই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:৫০
TMC accused of attacking Nawsad Siddique\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'s car in Bhangar

ভাঙল ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির গাড়ির কাচ। ছবি: সংগৃহীত।

ভোটের মুখে ভাঙড়ের আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকির গাড়িতে হামলা। ভাঙল কাচ। অভিযোগে তির তৃণমূলের দিকে। তবে এই হামলার ঘটনায় কেউ জখম হননি। জানা গিয়েছে, যখন এই ঘটনা ঘটে, তখন গাড়িতে ছিলেন না ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়ক।

আইএসএফ সূত্রে দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় ভাঙড়ের ব্যাওতা-১ অঞ্চলে দলীয় প্রচার কর্মসূচি ছিল নওশাদের। সেখানেই বিধায়কের গাড়িতে হামলা হয়। গাড়িটি দাঁড় করানো ছিল। অভিযোগ, আচমকা কেউ বা কারা সেই গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন। ইট লাগে গাড়ির পিছনের দিকের কাচে। ইটের ঘায়ে কাচ ভেঙে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

নওশাদের নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথমে বিষয়টি দেখেন। কথা বলেন স্থানীয়দের সঙ্গে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। কে বা কারা, এই হামলার নেপথ্যে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আইএসএফের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। নওশাদের অভিযোগ, ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের মনোবল ভাঙতে এমন ভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। ভোটের সময় সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে ভাঙড়ে। তবে এ ভাবে আইএসএফ কর্মীদের বা তাঁকে আটকানো যাবে না বলে দাবি তাঁর। যদিও আইএসএফের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, তাঁদের দলের সঙ্গে এই হামলার কোনও সম্পর্ক নেই।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Nawsad Siddique
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy