বিষাক্ত গ্যাস। ভিতরে এসো না। জলও খেয়ো না। দরজার বাইরে সাঁটানো সাদা কাগজে ইংরেজিতে লেখা এই কয়েকটি শব্দ। নীচে লেখা ‘মানবী’ বলে একটি নাম। গুজরাতের গান্ধীনগরে একটি ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের দেহ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের সন্দেহ, কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই যুবক। মৃতের নাম পঙ্কজ ভংশালী।
প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, পঙ্কজের চাকরি চলে গিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তিনি অত্যন্ত বিচলিত ছিলেন। আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিল গোটা পরিবার। যে সময় ঘটনাটি ঘটে, সেই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন পঙ্কজ। কিন্তু চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিবারের সদস্যদের জন্য একটি হাতে লেখা নোট রেখে যান। সেই নোটটি ফ্ল্যাটের দরজার গায়ে সাঁটিয়ে দিয়েছিলেন। যাতে পরিবারের কেউ ঘরে ঢুকে বিপদে না পড়েন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই নোটে লেখা ছিল, ‘‘...বিষাক্ত গ্যাস। মাস্ক পরে নিও। জল খেয়ো না।’’ তার পরই মানবী বলে এক জনের নাম উল্লেখ করেছেন। জানা গিয়েছে, মানবী হল পঙ্কজের কন্যা। গত ১৩ মে কন্যাকে নিয়ে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন পঙ্কজের স্ত্রী। ২২ মে পঙ্কজের সঙ্গে স্ত্রীর শেষ কথা হয়। তার পর স্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ কথা হয়নি। কয়েক দিন যোগাযোগ করতে না পেরে ২৭ মে ফ্ল্যাটে ফিরে আসেন পঙ্কজের স্ত্রী। তখন তিনি দরজায় সেই কাগজ সাঁটানো দেখতে পান। তার পরই আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। পুলিশকে ডাকা হয়। দরজা ভেঙে পুলিশ পঙ্কজের দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘর থেকে কীটনাশক উদ্ধার হয়েছে। সন্দেহ, কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন পঙ্কজ।