পাহাড়বাসীকে বেশি করে ভোটমুখী করতে হেরিটেজ টয় ট্রেনকে কাজে লাগাল দার্জিলিং জেলা প্রশাসন এবং দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর)। নির্বাচনী সচেতনতা বৃদ্ধি করতে শুক্রবার থেকে দার্জিলিং স্টেশনে শুরু হয়েছে ‘মেগা সুইপ’ কর্মসূচি। উদ্যোগের মূল আকর্ষণ, টয় ট্রেনের বিশেষ সংস্করণ ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’।
কেবল যাত্রী পরিষেবার মাধ্যম হিসাবেই নয়, পাহাড়ের আবেগের আর এক নাম টয় ট্রেন। ১৮৮১ সালে চালু হওয়া ন্যারো গেজ রেল পরিষেবা সারা বিশ্বে সমাদৃত। সেই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ়’ বা বিশ্ব ঐতিহ্যের শিরোপা প্রদান করেছে। তাই টয় ট্রেনকেই এ বার বেছে নেওয়া হয়েছে গণতন্ত্রের বার্তাবাহক হিসাবে।
শুক্রবার দার্জিলিং স্টেশনে ডিএইচআর-এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হরিশঙ্কর পানিকরের উপস্থিতিতে এই আয়োজন উৎসবের রূপ নেয়। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য, সাধারণ মানুষকে ভোটমুখী করা। সে জন্য দার্জিলিং স্টেশন থেকে বাতাসিয়া লুপ পর্যন্ত একটি বিশেষ টয় ট্রেন— ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’-এর সূচনা হয়।
আরও পড়ুন:
ট্রেনের প্রতিটি কামরায় সাঁটানো ভোটদানের গুরুত্ব এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক নানা পোস্টার। যাত্রাপথে মাইক প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের আহ্বান জানানো হয়। ডিএইচআরের ডিরেক্টর বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের উৎসবকে সফল করতে সকল ভোটারকে অংশগ্রহণ করতে হবে। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ় টয় ট্রেনের যে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা এবং আকর্ষণ, তাকে কাজে লাগিয়ে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনী সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, এই ঐতিহাসিক মাধ্যমটিকে ব্যবহার করে প্রতিটি নাগরিককে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা।’’ তিনি জানান, শৈলশহরে যাওয়া দেশি-বিদেশি পর্যটকদের মধ্যেও ভারতের নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরতে এই বিশেষ ট্রেনের যাত্রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড়ের প্রতিটি স্টেশনে টয় ট্রেন থামলেই যাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে ভোটদানের প্রয়োজনীয়তার কথা পৌঁছোয়, সেটাই তাদের লক্ষ্য। বিশেষ করে নতুন ভোটারদের উৎসাহিত করতেই এই ‘মেগা সুইপ’ কর্মসূচি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত