Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটের দিনে ছুটি ঘোষণা করে দিল রাজ্য, নির্দেশিকা জারি অর্থ দফতরের

অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় বেতন-সহ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে প্রত্যেক ভোটার নির্বিঘ্নে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ১৮:১৯
West Bengal Government declares holiday on two Election Days

ভোটের দিন বেতন-সহ ছুটি ঘোষণা নবান্নের। —ফাইল চিত্র।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় বেতন-সহ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে প্রত্যেক ভোটার নির্বিঘ্নে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যে একাধিক দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। এই দিনগুলিতে সংশ্লিষ্ট বিধানসভা এলাকায় সমস্ত সরকারি দফতর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক সংস্থা ও শিল্প ইউনিটের কর্মীদের ছুটি দিতে হবে। এই নির্দেশ কার্যকর হবে রিপ্রেজ়েন্টেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্ট ১৯৫১-এর আওতায়।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, কোনও সংস্থা বা নিয়োগকর্তা যেন কর্মীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা না দেন। এমনকি যাঁরা অন্যত্র কর্মরত হলেও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভোটার, তাঁদেরও ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়াও ভোটের দিনগুলিকে ‘ড্রাই ডে’ ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ, ওই দিন মদ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়। প্রশাসনের মতে, এই পদক্ষেপ ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হবে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
২০ মিনিট আগে
WB State Government Holiday
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy