Advertisement

নবান্ন অভিযান

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের মুখেই এক রাতে গ্রেফতার ৮০৯ জন! প্রাক্‌নির্বাচনী বিক্ষিপ্ত অশান্তির মাঝে জানাল নির্বাচন কমিশন

প্রথম দফার ভোটপর্ব মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে। দ্বিতীয় দফাও একইরকম শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটমুখী এলাকাগুলিতে কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগও উঠে আসতে শুরু করেছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৭

— প্রতীকী চিত্র।

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জেলায় জেলায় নজরদারিতে আরও জোর দিচ্ছে কমিশন। ইতিমধ্যে বিক্ষিপ্ত কিছু গোলমালের অভিযোগও উঠে এসেছে। এরই মধ্যে কমিশন জানাল, সোমবার রাতে মোট ৮০৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার রাজ্যের সাত জেলায় ১৪২টি আসনে ভোট রয়েছে। প্রথম দফার ভোটপর্ব মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে। দ্বিতীয় দফাও একই রকম শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটমুখী এলাকাগুলিতে কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগও উঠে আসতে শুরু করেছে। সোমবার সকালে গোঘাটের বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়ির উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর নাদনঘাটেও মারপিটের অভিযোগ উঠে আসে সোমবার।

অন্য দিকে দ্বিতীয় দফা ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিচালনা করার জন্য পুলিশি ধরপাকড়ও শুরু হয়েছে। রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ১০৯৫ জন ‘ঝামেলাবাজ’কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ বার জানা গেল, সোমবার রাতে আরও ৮০৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ৮০৯ জনের মধ্যে কোন জেলা থেকে কত জনকে পাকড়াও করা হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে জানা যায়নি।

সোমবার সকাল পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া গিয়েছিল, তাতে গ্রেফতারির নিরিখে সবার উপরে ছিল পূর্ব বর্ধমান জেলা। ওই জেলায় ৪৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ২৪৬ জনকে। নদিয়ায় গ্রেফতারির সংখ্যা ছিল ৩২। হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল যথাক্রমে ৪৯ জন এবং ৩১৯ জনকে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy