দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জেলায় জেলায় নজরদারিতে আরও জোর দিচ্ছে কমিশন। ইতিমধ্যে বিক্ষিপ্ত কিছু গোলমালের অভিযোগও উঠে এসেছে। এরই মধ্যে কমিশন জানাল, সোমবার রাতে মোট ৮০৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার রাজ্যের সাত জেলায় ১৪২টি আসনে ভোট রয়েছে। প্রথম দফার ভোটপর্ব মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে। দ্বিতীয় দফাও একই রকম শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটমুখী এলাকাগুলিতে কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগও উঠে আসতে শুরু করেছে। সোমবার সকালে গোঘাটের বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়ির উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর নাদনঘাটেও মারপিটের অভিযোগ উঠে আসে সোমবার।
অন্য দিকে দ্বিতীয় দফা ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিচালনা করার জন্য পুলিশি ধরপাকড়ও শুরু হয়েছে। রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ১০৯৫ জন ‘ঝামেলাবাজ’কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ বার জানা গেল, সোমবার রাতে আরও ৮০৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ৮০৯ জনের মধ্যে কোন জেলা থেকে কত জনকে পাকড়াও করা হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
সোমবার সকাল পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া গিয়েছিল, তাতে গ্রেফতারির নিরিখে সবার উপরে ছিল পূর্ব বর্ধমান জেলা। ওই জেলায় ৪৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ২৪৬ জনকে। নদিয়ায় গ্রেফতারির সংখ্যা ছিল ৩২। হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল যথাক্রমে ৪৯ জন এবং ৩১৯ জনকে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১২:৫৮
‘মমতাকে হুমকি’ দিয়ে বিজেপির মুখপাত্রের পোস্টের ‘স্ক্রিনশট’ তুলে ধরে তৃণমূলের নিশানায় কমিশনও -
১২:১৩
‘আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে তৃণমূলের ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কমিশনের’! ফের হাই কোর্টে আইনজীবী কল্যাণ -
১১:১১
স্বল্পবসনা নর্তকীদের সঙ্গে ছন্দে সিংহম? পশ্চিমবঙ্গে এসে হুমকি দেওয়া পুলিশকর্তাকে ট্যাগ করে ভিডিয়ো প্রকাশ মহুয়ার, খোঁচাও -
০৯:২৭
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভোটের দায়িত্ব বুঝে নিলেন পুলিশ আধিকারিকেরা, কার কোথায় পোস্টিং, বলে দেওয়া হল তা-ও -
০৯:০৯
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় জুড়ল আরও ১৪৬৮ নাম! ট্রাইবুনালে ‘পাশ’ হওয়াদের তালিকা দিল কমিশন