প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ছোঁয়ার চেষ্টায় ব্যারিকেড টপকে মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করলেন এক মহিলা। যদিও নিরাপত্তার খাতিরে তাঁকে মঞ্চে উঠতে দেওয়া হয়নি। প্রায় চ্যাংদোলা করে সভাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।
রবিবার হুগলির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলায় সভা ছিল মোদীর। হরিপালে প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষণ দিচ্ছেন, তখন এক মহিলা ব্যারিকেড টপকে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করেন। বিজেপি সূত্রে খবর, তিনি পদ্মশিবিরের কর্মী। মহিলা পুলিশকর্মীরা তাঁকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার জন্য শুয়ে পড়েন মহিলা। ‘যেতে দাও’, ‘যেতে দাও’, ‘যেতে দাও’— বলতে থাকেন তিনি। তাঁকে টানাটানি করতে থাকেন দলের মহিলা কর্মীরা এবং পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীরও নজরে পড়ে বিষয়টি। কিছু ক্ষণের মধ্যে পুলিশের সংখা বাড়িয়ে চ্যাংদোলা করে সভাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
হরিপালের সভা থেকে মহিলাদের জন্য ‘গ্যারান্টি’র কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘মহিলারা প্রতি বছর যাতে এক লক্ষ টাকার বেশি আয় করতে পারেন সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ৭৫ লক্ষ মহিলাকে সুবিধা দেওয়া হবে। ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। ব্যাঙ্ককে গ্যারান্টি দেবে আপনাদের ভাই মোদী।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘হুগলি নদীর এ পারের এলাকায় ছিল কারখানা। আজ সেখানে তালা পড়ার নোটিস আসে। গত ১৫ বছরে অনেক পাটকল বন্ধ হয়েছে। একটা কারখানাই চলছে, তা হল সিন্ডিকেটের কাটমানি, কমিশন আদায়।’’
সিঙ্গুরের অদূর থেকে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প আনার আশ্বাস দেন মোদী। তিনি বলেন, ‘‘সিঙ্গুরে কৃষকদের জমি নষ্ট করেছে তৃণমূল। আর কাউকে কাজও দেয়নি। আলুচাষিদের সঙ্গে সিন্ডিকেট বড় খেলা খেলেছে। এই সিন্ডিকেট কৃষকদের থেকে দু’তিন টাকা কিলোয় আলু কিনে পরে ৩০-৩৫ টাকা কিলোয় বিক্রি করছে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
সরাসরি
১৮:০১
‘ভরসা রাখুন, ১৪ বছর রয়েছি, কোনও গন্ডগোল হতে, ধাপ্পাবাজি করতে দেখেছেন’? ক্যামাক স্ট্রিটে বললেন মমতা -
১৭:০২
বুথমুখী রাস্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা! ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটার চৌহদ্দিতে আরও কড়া নজরদারি দ্বিতীয় দফায় -
১৬:৩৯
‘ষড়যন্ত্র করে মমতাদি কিছু মতুয়া, নমশূদ্রের নাম ভোটারতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন’! রানাঘাটের সভায় অভিযোগ শাহের -
১৫:৫০
‘তদন্তে বাধার সৃষ্টি, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল তৃণমূল সরকার’! আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশের প্রসঙ্গ মোদীর মুখে -
১৫:৩৭
হুমকি দিলে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে, নইলে নজিরবিহীন শাস্তি! পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা নির্বাচন কমিশনের