Advertisement

নবান্ন অভিযান

‘যেতে দাও’, প্রধানমন্ত্রীকে ছোঁয়ার জন্য ব্যারিকেড পেরিয়ে মঞ্চে উঠতে মরিয়া মহিলা, বাধা পেয়ে শুয়ে পড়ে কান্না!

রবিবার হুগলির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলায় সভা ছিল মোদীর। হরিপালে প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষণ দিচ্ছেন, তখন এক মহিলা ব্যারিকেড টপকে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:০৩
Modi in Arambagh

প্রায় চ্যাংদোলা করে নামানো হয় মহিলাকে। —নিজস্ব চিত্র।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ছোঁয়ার চেষ্টায় ব্যারিকেড টপকে মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করলেন এক মহিলা। যদিও নিরাপত্তার খাতিরে তাঁকে মঞ্চে উঠতে দেওয়া হয়নি। প্রায় চ্যাংদোলা করে সভাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।

রবিবার হুগলির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলায় সভা ছিল মোদীর। হরিপালে প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষণ দিচ্ছেন, তখন এক মহিলা ব্যারিকেড টপকে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করেন। বিজেপি সূত্রে খবর, তিনি পদ্মশিবিরের কর্মী। মহিলা পুলিশকর্মীরা তাঁকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার জন্য শুয়ে পড়েন মহিলা। ‘যেতে দাও’, ‘যেতে দাও’, ‘যেতে দাও’— বলতে থাকেন তিনি। তাঁকে টানাটানি করতে থাকেন দলের মহিলা কর্মীরা এবং পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীরও নজরে পড়ে বিষয়টি। কিছু ক্ষণের মধ্যে পুলিশের সংখা বাড়িয়ে চ্যাংদোলা করে সভাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

হরিপালের সভা থেকে মহিলাদের জন্য ‘গ্যারান্টি’র কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘মহিলারা প্রতি বছর যাতে এক লক্ষ টাকার বেশি আয় করতে পারেন সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ৭৫ লক্ষ মহিলাকে সুবিধা দেওয়া হবে। ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। ব্যাঙ্ককে গ্যারান্টি দেবে আপনাদের ভাই মোদী।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘হুগলি নদীর এ পারের এলাকায় ছিল কারখানা। আজ সেখানে তালা পড়ার নোটিস আসে। গত ১৫ বছরে অনেক পাটকল বন্ধ হয়েছে। একটা কারখানাই চলছে, তা হল সিন্ডিকেটের কাটমানি, কমিশন আদায়।’’

সিঙ্গুরের অদূর থেকে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প আনার আশ্বাস দেন মোদী। তিনি বলেন, ‘‘সিঙ্গুরে কৃষকদের জমি নষ্ট করেছে তৃণমূল। আর কাউকে কাজও দেয়নি। আলুচাষিদের সঙ্গে সিন্ডিকেট বড় খেলা খেলেছে। এই সিন্ডিকেট কৃষকদের থেকে দু’তিন টাকা কিলোয় আলু কিনে পরে ৩০-৩৫ টাকা কিলোয় বিক্রি করছে।’’

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Narendra Modi Hooghly BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy