×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৩ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

বিনোদন

হোটেলে আত্মঘাতী হবু নায়িকা, বানচাল হয়ে যায় অজয় দেবগণের দ্বিতীয় ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৭ নভেম্বর ২০২০ ১৪:৪৩
আলোচনা অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়েও শেষ অবধি মুক্তির আলো না দেখা—হিন্দি ছবির দুনিয়ায় এই ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু হবু নায়িকার রহস্যজনক মৃত্যুতে ছবির কাজ বরাবরের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া? এই ঘটনাও ঘটেছে অজয় দেবগণের জীবনে।
(ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)

অজয়ের প্রথম ছবি ‘ফুল অউর কাঁটে’ মুক্তি পায় ১৯৯১ সালে। পরের বছরই মুক্তি পেয়েছিল দ্বিতীয় ছবি, ‘জিগর’।
(ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)
Advertisement
কিন্তু এই দু’টির মাঝে আরও একটি ছবিতে অভিনয় করার কথা ছিল অজয়ের। তার কাজ আটকে গিয়েছিল হবু নায়িকার রহস্যমৃত্যুতে।
(ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)

‘ফুল অউর কাঁটে’-এর শ্যুটিংয়ের মধ্যেই অজয় দেবগণ সই করেছিলেন নাজির হেরেকরের ছবি ‘প্যায়ার ভরি ওয়াদিয়া’-য়।
(ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)
Advertisement
পরিচালক নাজিরের প্রথম ছবি ‘জিনে কি সাজা’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯১ সালে। প্রধান কুশীলব ছিলেন সুরেশ ওবেরয়, সুধা চন্দ্রন, ঋষভ শুক্ল এবং ম্যাকমোহন।   (ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)

কেরিয়ারের দ্বিতীয় ছবিতে নাজির বেছে নিয়েছিলেন নবাগত অজয়কেই। এই ছবি আরও এক দিক দিয়ে তাঁর কাছে বিশেষ ছিল। কারণ এই ছবিতে নাজির তাঁর সৎ মেয়ে মাসুমাকে লঞ্চ করতে চেয়েছিলেন।  (ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)

‘প্যায়ার ভরি ওয়াদিয়া’-র গল্প এবং কুশীলব চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। মূল ভূমিকায় ছিলেন অজয় দেবগণ এবং মাসুমা হেরেকর। এ ছাড়া শাম্মি কপূর এবং আশা পারেখও ছবির জন্য নিজেদের ডেট দিয়ে দিয়েছিলেন।
(ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)

ছবির আগে ওয়ার্কশপও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সব কিছু ওলটপালট হয়ে যায় মাসুমার আকস্মিক মৃত্যুতে। পরে জানা গিয়েছিল মাসুমা সে সময় প্রবীণ নামে এক তরুণের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কে ছিলেন।
(প্রতীকী ছবি)

ছবির নায়িকা হওয়ার ইচ্ছে মাসুমার ছিল না। তিনি চেয়েছিলেন প্রবীণকে বিয়ে করে সংসার শুরু করতে। কিন্তু নাজিরের পরিকল্পনা ছিল অন্য রকম। তাঁর ইচ্ছে ছিল মাসুমাকে বলিউডে নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।  (প্রতীকী ছবি)

পুলিশের অনুমান, অভিনয় করবেন না বলে মাসুমা হেরেকর পালিয়ে গিয়েছিলেন প্রেমিকের সঙ্গে। পরে মুম্বইয়ের একটি হোটেল থেকে দু’জনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, প্রেমিক যুগল আত্মঘাতী হয়েছিলেন।
(প্রতীকী ছবি)

পুলিশের ধারণা, পালিয়ে যাওয়ার পরে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় পেয়েছিলেন মাসুমা। তার পর পরিণতির কথা আশঙ্কা করে দু’জনে আত্মঘাতী হন।  (প্রতীকী ছবি)

মাসুমাকে নিজের আরও একটি ছবিতে সই করিয়েছিলেন নাজির। সেই ছবির নাম ছিল ‘ধুয়াঁ হি ধুয়াঁ’। নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করার কথা ছিল সিদ্ধার্থের। (ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)

কিন্তু মাসুমার মৃত্যুতে সেই ছবিটির কাজ আটকে যায়। পরে ১৯৯৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ধুয়াঁ হি ধুয়াঁ’। মাসুমার পরিবর্তে নায়িকা হয়েছিলেন মাধবী। নায়কের ভূমিকায় সিদ্ধার্থের বদলে অভিনয় করেন শাহবাজ খান। (ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)

কিন্তু ‘প্যায়ার কি ওয়াদিয়া’ ছবিটি আর তৈরি করেননি নাজির। এর পর ইন্ডাস্ট্রি থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যান অভিনেতা-প্রযোজক-পরিচালক নাজির নিজেও। ‘জিনে কি সাজা’ এবং ‘ধুয়াঁ হি ধুয়াঁ’ ছাড়া তাঁর অন্য কোনও ছবির নামও শোনা যায়নি।
(ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া)