শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর শেষ মুহূর্তগুলোর কথা বনি কপূরের মুখ থেকেই সামনে এল। অন্তত তেমনটাই দাবি তাঁর বন্ধু, বক্স অফিস বিশেষজ্ঞ কমল নাহাটা-র। বনির সঙ্গে তাঁর কথোপকথন নাহাটা লিখেছেন তাঁর ব্লগে। সেখানেই জানা গিয়েছে, দুবাইতে বিয়েবাড়ি মেটার পরে ২২ ফেব্রুয়ারি লখনউতে একটা জরুরি কাজ থাকায় বনিকে ফিরতে হয়। ২৪শে শনিবার সকালে শ্রী ফোনে বনিকে বলেন, খুব মিস করছেন ওঁকে। বনি তখনও শ্রীকে বলেননি যে, ওই দিন বিকেলে দুবাই গিয়ে চমক দিতে চলেছেন তিনি।

নাহাটার ব্লগ বলছে, বনি সেদিন দুবাইয়ের হোটেলে পৌঁছন স্থানীয় সময় ছ’টা কুড়ি নাগাদ। বনির কাছেও ঘরের চাবি ছিল। শ্রী বনিকে দেখেই বলেন, তাঁর মন বলছিল বনি আসবেন। দু’জনে প্রায় এক ঘণ্টা গল্প করেন। বনি প্রস্তাব দেন, একসঙ্গে নৈশভোজে বেরোবেন। স্নানে যান শ্রী। বনি লিভিং রুমে টিভিতে ভারতের ক্রিকেট ম্যাচ দেখছিলেন।

কিছু ক্ষণ কাটতে তিনি শ্রীর নাম ধরে ডাকেন। সাড়া নেই। টিভির আওয়াজ কমিয়ে আবার ডাক। সাড়া নেই। এ বার স্নানঘরের দরজায় টোকা দিয়ে ‘জান জান’ বলে ডাকেন। দরজা ছিটকিনি দেওয়া ছিল না। বনি ঢুকে দেখেন, বাথটবের জলে ডুবে রয়েছেন শ্রী। এক ফোঁটা জলও মেঝেতে পড়েনি।

আরও পড়ুন: ‘‘আমরা মাকে হারালাম, ‘জান’ হারাল বাবা’’