ক’দিন আগেও সারা আলি খান ও ওরহান অবত্রমানি ওরফে ওরি ছিলেন গলায় গলায় বন্ধু। কিন্তু সেই বন্ধুত্ব এখন নিমেষে উধাও! এই বন্ধুত্ব কি তবে সবটাই লোক দেখানো? এমন প্রশ্ন উঠছে। ওরির দাবি, সারার মা নাকি ভয়ঙ্কর মানুষ। অমৃতা সিংহের জন্য খুব খারাপ মানসিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে।
আরও পড়ুন:
যদিও ঘটনার সূত্রপাত্র একটি ভিডিয়ো থেকে। দিনকয়েক আগে সমাজমাধ্যমে একটি রিল পোস্ট করেন ওরি। সবচেয়ে খারাপ কিছু নামের তালিকা দিয়েছিলেন তিনি। সেই তালিকায় রয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ তিনটি নাম— অম়ৃতা, সারা, পলক। এখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। সারার মায়ের নাম অমৃতা সিংহ এবং সারার ভাই ইব্রাহিম আলি খানের আলোচিত প্রেমিকার নাম পলক তিওয়ারি।
এখানেই শেষ নয়, এই ঘটনার পর আরও একটি ছবি পোস্ট করেন ওরি। সেখানে দেখা যায়, নেটপ্রভাবীর পরনে একটি টিশার্ট। তার উপরে অন্তর্বাসের ডিজ়াইন করা। ওরির এক অনুরাগী প্রশ্ন করেন, “এই অন্তর্বাস ঠিক কী ধরে রাখার জন্য রয়েছে?” উত্তরে কোনও রাখঢাক না করেই ওরি বলেন, “সারা আলি খানের সফল কিছু ছবি!” সেই অনুরাগী প্রথমে ভাবেন, ওরি হয়তো মজা করছেন। তাই তিনি লেখেন, “এই মন্তব্য দেখে সারাও হয়তো হাসছেন।” এর পাল্টা জবাবে ওরি বলেন, “হাসছেন? নিজের কেরিয়ার দেখে হাসছেন বলে আমার মনে হয়।”
যদিও দিনকয়েক আগে সারাও একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন যার অর্থ, ‘‘সুবোধ বালকেরা বিবাদে জড়িও না।’’ দিন কয়েক ধরে একপ্রকার কাদা ছোড়াছুড়িই চলছে দু’জনের মধ্যে। এর সমাধান সূত্র দিলেন ওরি নিজেই। তিনি একটি পডকাস্টে এসে জানান, সারার মা নাকি ভয়ঙ্কর মহিলা। কিন্তু ঠিক কী হয়েছে সেটা খোলসা করেননি ওরি।
নেটপ্রভাবী বলেছেন, ‘‘এ সমস্যার সমাধান হবে, যদি অমৃতা সিংহ ক্ষমা চান। তবেই আমি সব ভুলতে পারি।’’ পাশাপাশি সমাজমাধ্যমে সারাকে ‘আনফলো’ করার কথায় সিলমোহর দিয়েছেন ওরি।