ল্যাবরেটরির মেঝেটা রক্তে ভেসে যাচ্ছিল। সেই রক্তের রেখা ধরে একটু এগোতেই নিরাপত্তারক্ষীদের চোখে পড়ে ল্যাবের জুনিয়র চিকিৎসকের নলিকাটা দেহ। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নয়াদিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স হাসপাতালে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, তাঁরই এক সিনিয়র চিকিৎসক এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ওই চিকিত্সক বেপাত্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের দিন রাতে ওই ল্যাবেরটরিতেই তাঁকে শেষ বার দেখা গিয়েছিল। তাঁর গাড়িটিও একটি পরিত্যক্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। খুনের পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ। চিকিৎসক সুয়েশ গুপ্তার অধীনে সেন্ট স্টিফেন্স হাসপাতালের ল্যাবরেটরিতে কাজ করতেন এলাহাবাদের বাসিন্দা চিকিত্সক শাশ্বত পান্ডে। এই সুয়েশ গুপ্তার বিরুদ্ধেই শাশ্বতকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। শাশ্বতর পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে তাঁকে উত্যক্ত করতেন সুয়েশ। তাঁর সঙ্গে খুব খারাপ আচরণও করতেন।
আরও পড়ুন: ধর্ষণে দোষী ‘বাবা’, সচ্চা-ভক্ত তাণ্ডবের বলি ৩০
সুয়েশের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি এই ঘটনায় আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না এবং কেনই বা এই খুন করা হল তার তদন্ত চলছে।