Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২২ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

মোদীর রাজ্যে ধর্মঘট সর্বাত্মক, কাজ বন্ধ সর্বত্র

সব চেয়ে বড় মাপের প্রতিবাদের সাক্ষী থেকেছে নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য। সে রাজ্যের প্রায় ২৮ হাজার ডাক্তার আজ কর্মবিরতিতে অংশ নেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ১৮ জুন ২০১৯ ০২:১১
Save
Something isn't right! Please refresh.
গুজরাতে ডাক্তারদের প্রতিবাদ। ছবি: এএফপি।

গুজরাতে ডাক্তারদের প্রতিবাদ। ছবি: এএফপি।

Popup Close

কলকাতায় চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)-এর ডাকা ধর্মঘটে আজ গোটা দেশে ধাক্কা খেয়েছে চিকিৎসা পরিষেবা। দেশের প্রায় সব রাজ্যেই আজ এনআরএসের ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসকেরা পথে নামেন। প্রায় সব সরকারি হাসপাতালে বর্হিবিভাগ পরিষেবা বন্ধ থাকে। কর্নাটকে ধর্মঘট এমন আকার নেয় যে চিকিৎসকদের কাজে ফেরার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীকে আহ্বান জানাতে হয়। সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আর্জি পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টেও। কাল ওই জনস্বার্থ মামলার শুনানি।

কলকাতার ঘটনার প্রতিবাদে গত শুক্রবারই আইএমএ আজ গোটা দেশে ধর্মঘট ডেকেছিল। সরকারের পক্ষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের জন্য একাধিক বার আবেদন জানালেও অবস্থানে অনড় থাকেন চিকিৎসকেরা। আজ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির বড় অংশে কেবল জরুরি পরিষেবা বিভাগ ছাড়া সব পরিষেবা বন্ধ ছিল। অসুবিধায় পড়েন বহু মানুষ।

ধর্মঘটে হবে না বলে গত কাল পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দিল্লির এমস। কিন্তু কাল রাতে রুগির পরিজনদের হাতে প্রহৃত দেন এইমসের ট্রমা বিভাগের এক চিকিৎসক। প্রতিবাদে আজ কর্মবিরতি পালন করেন এমসের চিকিৎসকেরা। সব মিলিয়ে দিল্লি ও রাজধানী সংলগ্ন এলাকার ২২টি হাসপাতালের প্রায় ১০ হাজার চিকিৎসক আজ ধর্মঘটে অংশ নেন।

Advertisement

তবে আজ সব চেয়ে বড় মাপের প্রতিবাদের সাক্ষী থেকেছে নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য। সে রাজ্যের প্রায় ২৮ হাজার ডাক্তার আজ কর্মবিরতিতে অংশ নেন। আমদাবাদ, সুরত, রাজকোট, জামনগর-সহ অধিকাংশ জেলার সরকারি হাসপাতালের বর্হিবিভাগ বন্ধ থাকে। সমর্থনে এগিয়ে আসে বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতালও। কর্নাটকেও আজ সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি শতাধিক বেসরকারি হাসপাতাল ধর্মঘটে যোগ দেয়। পরিস্থিতি সামলাতে দুপুরে মাঠে নামেন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। তাঁর কথায়, ‘‘চিকিৎসকদের উপরে হামলা নিন্দানীয় ঘটনা। কিন্তু চিকিৎসকদের ধমর্ঘটে সাধারণ মানুষ অসুবিধায় পড়েছেন। তাই মানুষের কথা ভেবে চিকিৎসকেরা যেন অবিলম্বে কাজে যোগ দেন।’’

কলকাতার ঘটনার প্রতিবাদে আজ পথে নামে ভুবনেশ্বর, ভোপাল এমসের চিকিৎসকেরাও। অসমে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎকেরা ধর্নায় বসায় অসুবিধায় পড়েন দূর থেকে আসা রুগিরা। লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল কলেজ, ঝাড়খণ্ডের রিমস, বারাণসীর সুন্দরলাল হাসপাতালে চিকিৎসকেরা আজ দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান। ত্রিপুরা এ দিন কাজ বন্ধ রাখেন প্রায় হাজার খানেক চিকিৎসক। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে গত শুক্রবার একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। আজ সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের অবকাশকালীন বেঞ্চ জানিয়েছে, আগামিকাল ওই মামলাটির শুনানি হবে।

আজ সন্ধ্যায় কলকাতায় জুনিয়র ডাক্তাররা ধর্মঘট তোলায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে কেন্দ্র। খুশি আইএমএ-ও। সংগঠনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যদি আগেই মানবিক ভাবে বিষয়টি সামলাতেন, তা হলে আরও আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যেত।



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement