×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৮ মার্চ ২০২১ ই-পেপার

আগামী বছর তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী মুখ পলানীস্বামী, সঙ্ঘাতের আবহে জানাল এআইএডিএমকে

সংবাদ সংস্থা
চেন্নাই ০৭ অক্টোবর ২০২০ ১৩:২১
সঙ্ঘাতের কেন্দ্রে ও পনিরসিলভম (বাঁ দিকে) এবং ই পালানিস্বামী। —ফাইল চিত্র

সঙ্ঘাতের কেন্দ্রে ও পনিরসিলভম (বাঁ দিকে) এবং ই পালানিস্বামী। —ফাইল চিত্র

জয়ললিতার মৃত্যুর পর থেকেই তামিলনাড়ুতে এডিএমকে নেতৃত্বের মধ্যে সঙ্ঘাতের চোরা স্রোত চলছিল। আগামী বছর রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন ঘিরে সেই টানাপড়েন চরমে উঠেছিল। কার্যত প্রকাশ্যে চলে এসেছিল মুখ্যমন্ত্রী ই পলানীস্বামী (ইপিএস) এবং ও পনীরসিলভম (ওপিএস)-এর মধ্যে। দীর্ঘ আলোচনার পর আপাতত সমঝোতা সূত্র বার করে এডিএমকে জানিয়ে দিল, দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী থাকছেন ইপিএস। অন্য দিকে দলের দায়িত্ব সামলাবেন ওপিএস।

ইপিএস, নাকি ওপিএস— আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এআইএডিএমকে-র মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা তৈরি হয়েছিল। দলের অভ্যন্তরীণ সঙ্ঘাতের অনেকটাই প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ইপিএস-এর নামে পোস্টার-ব্যানার ছড়ানোয় সঙ্ঘাত আরও তীব্র হয়। সক্রিয় হয়ে ওঠে ওপিএস শিবির। প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও দলের নেত্রী জয়ললিতার উল্লেখ করে ইপিএস বলেছিলেন, দলের ১১ সদস্যের কমিটিই ঠিক করবে, মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার এই নিয়ে আলোচনায় বসেন দলের শীর্ষনেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে খবর, ভোর সাড়ে ৩টে পর্যন্ত আলোচনা হয়েছে। তুমুল টানাপড়েনর পর শেষ পর্যন্ত ইপিএস-ওপিএস দুপক্ষকেই সন্তুষ্ট রাখার কৌশলে রফাসূত্র বের হয়।

সকালে দলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দলের মুখই পালানিস্বামী। পনীরসিলভমের দায়িত্বের কথা আলাদা করে ঘোষণা করা না হলেও, দলীয় সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে যে তিনিই শেষ কথা বলবেন— এমন আশ্বাস ওপিএস-কে দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

Advertisement

আরও পড়ুন: মাদক মামলায় জামিন পেলেন রিয়া, ভাই শৌভিকের আর্জি খারিজ

আরও পড়ুন: হাথরস তদন্তে সিটকে আরও ১০ দিন সময়, আদালতের রায় দেখে নিতে সিদ্ধান্ত?

ইপিএস-ওপিএস-এর বাইরেও এডিএমকে-র ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে রয়েছেন আরও এক জন। তিনি জয়ললিতার ঘনিষ্ঠ শশীকলা। আপাতত দুর্নীতির মামলায় তিনি জেলবন্দি। আগামী বছরের গোড়াতেই তিনি ছাড়া পেতে পারেন বলে খবর। আপাতত দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চাপা দেওয়া গেলেও পর্যবেক্ষকদের অনুমান, শশীকলা জেলমুক্ত হওয়ার পর কোন্দল আরও বড় আকার নিতে পারে।

Advertisement