নৈশক্লাবের ঝলমলে আলো। তারস্বরে ডিজে বাজছে। তার মধ্যেই দেখা গেল হাতে বিয়ারের বোতল নিয়ে কেতন অগ্রবাল হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সিয়া গোয়লকে। পুরনো এই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।)
দাবি করা হচ্ছে, ভিডিয়োটি গত বছরের ডিসেম্বরের। উত্তপ্ত ভাবে ফোনের ও পারে কাউকে তিনি বলছিলেন, ‘‘ও-ই তো প্রথমে আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তার পর আবার ফোন করছে।’’ যাঁকে ঘিরে এই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, তাঁকে অশ্রাব্য গালিগালাজ করতেও শোনা যায় সিয়াকে। কেতন হত্যাকাণ্ডের পর সিয়ার এই ভিডিয়ো সকলের নজর কাড়ছে। শুধু তা-ই নয়, নানা রকম গুঞ্জনও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এই জল্পনাও বাড়ছে, ফোনে কার কথা বলছিলেন সিয়া? কে তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করলেন?
এর আগেও সিয়ার কয়েকটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু সে সব কিছুকে ছাপিয়ে এখন নৈশক্লাবের এই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, প্রতারণার প্রসঙ্গই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। কেতন হত্যাকাণ্ড এখনও অনেক রহস্যে মোড়া। অনেক প্রশ্নের উত্তর অমিল। তদন্তকারীরা চাইছেন সিয়ার পলিগ্রাফ পরীক্ষা করাতে। কারণ, তদন্তকারী সূত্রে খবর, সিয়া এবং তাঁর প্রেমিক চেতনের বিরুদ্ধে কেতনকে খুনের অভিযোগ উঠেছে ঠিকই, কিন্তু কেতনকে লোহাগড় দুর্গ থেকে কে ঠেলে ফেলেছেন, তার কোনও প্রত্যক্ষদর্শী বা ঘটনার সময়ের কোনও সিসিটিভি ফুটেজ মেলেনি। ফলে এই হত্যা মামলা তদন্তকারীদের কাছে আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে।
জল্পনা জোরালো হতে শুরু করেছে, তা হলে কি কেতনের কথাই বলছিলেন সিয়া? না কি অন্য কারও সম্পর্কে? কে প্রতারণা করলেন? কেন প্রতারণা করলেন? যে ব্যক্তি প্রতারণা করেছেন, তিনিই বা কে? এমন বেশ কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে নৈশক্লাবে সিয়ার ওই ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পর থেকে। গত ১৮ জুন কেতনকে পুণের লোণাবলায় লোহাগড় দুর্গ থেকে ঠেলে ফেলে খুন করার অভিযোগ উঠেছে সিয়া এবং চেতনের বিরুদ্ধে।