বিধানসভা ভোটে বরাকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সংবর্ধনার আয়োজন করেছিল করিমগঞ্জ শহর ব্লক কংগ্রেস।
আমন্ত্রণ পৌঁছেছিল উপত্যকার সাংসদদের কাছেও। নিমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন কাছাড়ের সাংসদ সুস্মিতা দেব, বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ, জামালউদ্দিন আহমেদ, রাজদীপ গোয়ালা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য শহরজুড়ে লাগানো হয়েছিল তোরণ। সংবর্ধনা মঞ্চে ছিল তাঁদের নাম।
কিন্তু আজ কমলাক্ষবাবু ছাড়া কেউ-ই পৌঁছলেন না সেখানে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ব্যস্ততার জন্যই অনেকে আসতে পারেননি। তা মানতে নারাজ বিরোধী শিবিরের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, বিজেপির উত্থানে আশঙ্কিত বরাকের কংগ্রেস সাংসদ-বিধায়করা। করিমগঞ্জ শহরের স্টেশন রোডের সংবর্ধনা মঞ্চে তাই তাঁদের বেশিরভাগই আসেননি।
অনুষ্ঠানে উত্তর করিমগঞ্জের বিধায়ক কমলাক্ষবাবু জানান, শাসক দলে না থাকায় আগের মতো তিনি আর উন্নয়নের কাজ করতে পারবেন না বলে রটনা ছড়ানো হচ্ছে। সেটা সত্যি নয়। তিনি বলেন, ‘‘অধিকার ছিনিয়ে নিতে হয়। শাসক বিজেপি চাইলেও এখানকার উন্নয়ন তা-ই কখনওই বন্ধ করতে পারবে না।’’
জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সতু রায় বলেন, ‘‘অসম আন্দোলনের নেতারাই এখন বিজেপির কাণ্ডারী। ফলে বরাক-ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার মধ্যে মৈত্রীর সেতুবন্ধন কখনওই করা হবে না।’’
বরাকে দলের সাংসদ ও নবনির্বাচিত বিধায়কদের ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি এ দিন পরিচালনা করেন ব্লক কংগ্রেস সভাপতি তাপসকান্তি পুরকায়স্থ।