যশোদাবেনের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর আনুষ্ঠানিক বিয়ে হয় যখন, তখন তাঁর বয়স ১২। নরেন্দ্রর বছর ১৪। দু’জনে অবশ্য একসঙ্গে থাকেন তার বছর পাঁচেক পর, ১৯৬৮ সালে। যদিও এ সংসার বেশি দিন থাকেনি। সন্ন্যাসের টানে হিমালয়ের পথে বেরিয়ে পড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। নরেন্দ্র মোদীর জীবনের পরের ইতিহাস অনেকেরই জানা।
৫০ বছর পর অবশ্য খাটিয়ায় বসে থাকা যশোদাবেনকে দেখে সাদামাটা শব্দটাও লজ্জা পাবে। গুজরাতের মেহসানা থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার এগিয়ে মেন রাস্তা থেকে বাঁ দিকে নেমে যেতে হয় গ্রামের ভিতরে। তিন কিলোমিটার মতো গেলে ব্রাহ্মণওয়াড়া বাজার। সেখান থেকে একটু এগিয়েই অশোকদের পৈতৃক বাড়ি। এখন সেখানে তাঁর ছোট ভাইয়ের পরিবার থাকে। এই বাড়িতেই জন্ম যশোদাবেনের। বিয়েও। মেহসানার উঞ্ঝায় বড় দাদা অশোকের কাছে থাকলেও, মাঝে মাঝেই বাপের বাড়িতে চলে আসেন যশোদা।
সেখানেই দেখা হল তাঁর সঙ্গে, ফিরছিলেন মন্দির থেকে। নিয়মিত মন্দিরে যান কিনা জিজ্ঞেস করতেই উত্তল এল, ‘‘হ্যাঁ ওটাই তো জীবনে আছে। ভগবানকে ডাকি মনপ্রাণ দিয়ে,’’—জবাব এল।
কী বলেন ভগবানকে? ভীষণ হালকা স্বরে বললেন, ‘‘সবই ওঁর জন্য।’’
আরও পড়ুন: টাইগার প্রভাকরণই আদর্শ, রাজীব হত্যার কারিগরের নামেই ভোট চান এঁরা