Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

সেঞ্চুরি পেরোল আকবরের উকিলের সংখ্যা, ৩১ অক্টোবর ফের শুনানি

দিগন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় 
নয়াদিল্লি ১৯ অক্টোবর ২০১৮ ০০:১৮

মোবাশর জাভেদ আকবর…

ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ২ বেজে ৭ মিনিট। পাটিয়ালা কোর্টে অতিরিক্ত মুখ্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সমর বিশালের এজলাসে ঠাসা ভিড় সাংবাদিকদের। হাল আমলে এখানেই সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যু, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা, দিল্লির মুখ্যসচিবের হেনস্থার মামলা চলেছে। আকবরের নাম ডাকা হচ্ছে। কিন্তু তাঁর দেখা নেই!

একদল সাংবাদিক সকাল থেকেই সদ্যপ্রাক্তন বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর বাড়ির সামনে অপেক্ষায়। মন্ত্রিপদ ছাড়লেও এখনও আছেন তিন মূর্তি লেনের সরকারি বাংলোয়। সাংবাদিকদের ভিড় দেখে বাংলোর নিরাপত্তাকর্মীরা কৌতূহলী, ‘‘ইয়ে ‘মিটু’ ক্যায়া হ্যায়?’’

Advertisement

মিনিট পাঁচেক পরে আকবর ছাড়াই হুড়মুড়িয়ে ডজন খানেক আইনজীবী ঢুকলেন এজলাসে। নেতৃত্বে গীতা লুথরা। যিনি যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত আর এক সাংবাদিক তরুণ তেজপালের উকিল ছিলেন। গীতার সঙ্গে কৌঁসুলি সন্দীপ কুমার। অথচ আকবরের ৯৭ জন উকিলের তালিকায় এঁদের নাম ছিল না! সব মিলিয়ে আকবরের আইনজীবীর সংখ্যা সেঞ্চুরি পেরিয়ে গেল!

আদালতে গীতা বলেন, তাঁর মক্কেল রাজ্যসভার সাংসদ। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে মন্ত্রী করেছেন, যদিও কাল ইস্তফা দিয়েছেন। পাশাপাশি একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক, অনেক বই লিখেছেন। বিবাহিত, দুই সন্তান আছেন। কিন্তু প্রিয়া রামানি তাঁর বিরুদ্ধে কুড়ি বছর আগের ঘটনা তুলে মানহানিকর মন্তব্য করে টুইট করেন। সেটি ১২০০ লাইক, ২০০টি রিটুইট হয়েছে। ফলে ৪০ বছর ধরে অর্জিত সুনাম ও সম্মান নষ্ট হয়েছে। এই আর্জি শুনে মামলা গ্রহণ করেছে আদালত। পরশুই আকবরকে হাজির করে তাঁর বিবৃতি শুনতে চেয়েছিল আদালত। কিন্তু আইনজীবীরাই ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় চেয়ে নেন। আকবর নিজের পক্ষে ছ’জন সাক্ষীর নাম জানিয়েছেন আদালতকে। যাঁদের মধ্যে জয়িতা বসু, হবিবুর রহমান, তপন চাকী রয়েছেন।

আরও পড়ুন: মুছে গেল রাজনীতির ভেদাভেদ, মহানবমীর রাতে ধুনুচি নাচে মাতলেন অধীর ও সুমিত্রা

এরই মধ্যে এডিটর্স গিল্ড আজ অভিযোগকারী মহিলাদের বিরুদ্ধে মানহানির ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহারের জন্য আকবেরর কাছে আর্জি জানিয়েছে। মামলা না উঠলে মহিলাদের সব রকম আইনি সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে গিল্ড। মহিলা সাংবাদিকদের প্রশংসা করে গিল্ডের বক্তব্য, তাঁদের বাহাদুরির জন্যই মন্ত্রিসভা ছাড়তে হয়েছে আকবরকে। জাতীয় মহিলা কমিশনও কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার অভিযোগ পাঠানোর আবেদন করে। কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী মেনকা গাঁধী আজ রাজনৈতিক দলে যৌন হেনস্থার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।

আরও পড়ুন

Advertisement