অহমদাবাদের মেঘানিনগরে ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। সেই বিমানের ব্ল্যাক বক্স এখন দেশেই পরীক্ষানিরীক্ষা করছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)। মঙ্গলবার এ কথা জানিয়ে দিলেন দেশের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু। দুর্ঘটনাস্থল থেকে ব্ল্যাক বক্স উদ্ধারের পরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে, সেগুলি থেকে তথ্য উদ্ধারের জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে। সেই জল্পনাই মঙ্গলবার উড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
গত ১২ জুন মেঘানিনগরে লোকালয়ে ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং বিমান। লন্ডনের অদূরে গ্যাটউইকে গন্তব্য ছিল সেটির। উড়ানের পাঁচ মিনিটের মাথায় ভেঙে পড়ে সেই বিমান। তাতে সওয়ার ছিলেন ২৪২ জন। তাঁদের মধ্যে ২৪১ জনের মৃত্যু হয়। যেখানে বিমানটি ভেঙে পড়েছিল, সেখানে আরও ২৯ জনের মৃত্যু হয়। ১৩ জুন দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় বিমানের ব্ল্যাক বক্স। উড়ানের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য থাকে এই ব্ল্যাক বক্সে। ককপিটে পাইলটের কথোপকথনও ধরা থাকে।
কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল, দুর্ঘটনার তদন্তের জন্য ওই বিমানের ব্ল্যাক বক্স বিদেশে পাঠানো হয়েছে। সেই জল্পনা উড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রী। নায়ডু বলেন, ‘‘এ সব নেহাতই জল্পনা। ব্ল্যাক বক্স দেশেই রয়েছে। তদন্ত করে দেখছে এএআইবি।’’ ব্ল্যাক বক্স থেকে কি কোনও তথ্য এখন পর্যন্ত তদন্তকারীদের হাতে এসেছে? জবাবে নায়ডু বলেন, ‘‘এএআইবি তদন্ত করছে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তারা।’’ অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক এবং এফআইসিসিআইয়ের উদ্যোগে একটি কর্মসূচিতে এই কথা জানান মন্ত্রী।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- অহমদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে ভেঙে পড়ল যাত্রিবাহী বিমান।
- এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বিমানে বহু যাত্রী ছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।
-
অহমদাবাদ দুর্ঘটনার চার দিন পরে এয়ার ইন্ডিয়ার ১১২ জন পাইলট ছুটি নেন, কেন? সংসদে জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
-
কোনও বোয়িংয়ের জ্বালানির সুইচে সমস্যা নেই! জানাল এয়ার ইন্ডিয়া, দুর্ঘটনার পরই পরীক্ষা করা হয় সব ক’টি বিমানে
-
যান্ত্রিক ত্রুটির সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে তদন্ত রিপোর্ট! সিনিয়র পাইলটকে ঘিরেই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিমান বিপর্যয় রহস্য
-
ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ, কার ভুলে সুইচ ‘অফ-অন’, শেষ মুহূর্তের কথোপকথনে রহস্য
-
রাতে জেগে জেগে উঠছেন, কথা নেই কারও সঙ্গে! দুর্ঘটনার পর থেকে গুম মেরে রমেশ, তদন্ত রিপোর্টের পরেও আতঙ্ক