দিল্লির লালকেল্লা মেট্রোর কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় নয়া তথ্য উঠে এল। তদন্তকারী সূত্রের খবর, পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ‘ভূতুড়ে’ সিম ব্যবহার করতেন অভিযুক্ত চিকিৎসকেরা। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এবং নিরাপত্তাবাহিনী যাতে এই যোগাযোগের সূত্র ধরতে না পারে, তার জন্য এমন এক ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করতেন তাঁরা, যেটি দিয়ে পারস্পরিক যোগাযোগের জন্য কোনও সিমকার্ডের প্রয়োজন হয় না। শুধু তা-ই নয়, অভিযুক্তেরা নিজেদের কাছে সব সময় দু’টি ফোন সঙ্গে রাখতেন।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের কাছে থাকা দু’টি ফোনের একটিতে নিজেদের নামে নথিভুক্ত করা সিমকার্ড থাকত। ওই ফোন ব্যবহার করে পরিবার, আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ, চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতেন। সন্দেহ এড়াতেই এই ফোনটি ব্যবহার করতেন অভিযুক্তেরা। আর দ্বিতীয় ফোনটি ব্যবহার করতেন সন্ত্রাসমূলক কাজের জন্য।
দ্বিতীয় ফোনের সিমকার্ড নিজেদের নামে নথিভুক্ত করাতেন না। সন্দেহ হবে না এমন ব্যক্তির আধার কার্ডের তথ্য চুরি করে সেই তথ্য কাজে লাগিয়ে সিমকার্ড নেওয়া হত। এই তদন্তের মধ্যেই ভুয়ো সিমকার্ডের চক্রের হদিস পায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ফোনে যে সিমকার্ড ব্যবহার করা হত, অভিযুক্তদের সেই ফোন পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, বেশির ভাগ সময় সেগুলি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগোযোগে সক্রিয় ছিল। ভুয়ো সিম রুখতে টেলকম সংস্থাগুলিকে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লা মেট্রোর সামনে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ হয়। সেই ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন অনেকে।