Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

সিঙ্গাপুরে প্রয়াত অমর সিংহ, কিডনির অসুখে ভুগছিলেন দীর্ঘ দিন

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ০১ অগস্ট ২০২০ ১৭:২৫
—ফাইল চিত্র।

—ফাইল চিত্র।

মারা গেলেন সমাজবাদী পার্টির প্রাক্তন নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ অমর সিংহ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪। দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। সেই সংক্রান্ত চিকিৎসা করাতেই গত মার্চে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁর একটি অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। শনিবার সেই হাসপাতালেরই আইসিইউ-তে অমর সিংহের মৃত্যু হয়।

এ দিন সকালেও সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন অমর। স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা শিক্ষাবিদ বাল গঙ্গাধর তিলকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি একটি টুইটও করেন। তিলককে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তিনি দেশবাসীকে ইদের শুভেচ্ছাও জানান। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই প্রসার ভারতীর তরফে জানানো হয়, অমর সিংহ আর নেই। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

দীর্ঘ দিন সমাজবাদী পার্টির অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন অমর। দলের সুপ্রিমো মুলায়ম সিংহ যাদবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা সর্বজনবিদিত ছিল। ১৯৯৬ সালে প্রথম বার রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন অমর সিংহ। সমাজবাদী পার্টির সাংসদ। তার পর ২০০২ এবং ২০০৮ সালেও রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। কিন্তু ২০১০ সালে দল থেকে অমরকে বহিষ্কার করা হয়। পরে ২০১৬ সালে নির্দল প্রার্থী হিসেবে ফের রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন অমর। তবে তাঁকে সমর্থন করেছিল সমাজবাদী পার্টি।

Advertisement

এ দিন সকালে অমর সিংহের টুইট।

আরও পড়ুন: উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখে এ বার সেনা সমাবেশ চিনের​

২০০৮ সালে মার্কিন পরমাণু চুক্তি ঘিরে কেন্দ্রীয় রাজনীতি যখন টালমাটাল, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার থেকে বেরিয়ে যায় বামেরা। সেই সময় সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে সরকার টিকে যায়। অমর সিংহের তৎপরতাতেই সে বার কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির যোগসূত্র গড়ে উঠিছিল। তার জেরে রাতারাতি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন অমর। তবে পরবর্তী কালে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে অমর সিংহের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকে। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁর ‘শিষ্যা’ জয়াপ্রদাও একই দিনে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। তা সত্ত্বেও মুলায়ম সিংহ যাদবকে নিয়ে কখনও খারাপ মন্তব্য করেননি অমর সিংহ। বরং দল থেকে বার করে দেওয়ার পরও তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ওঁর আশীর্বাদ আমার সঙ্গে রয়েছে। উনি আমাকে সব রকমের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন।’’

আরও পড়ুন: বিনিয়োগ নেই, ফিকে আইএসএলের স্বপ্ন, শতবর্ষে ম্রিয়মান মশাল​

এক সময় বচ্চন পরিবারেরও খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন অমর সিংহ। কিন্তু ২০১৬ সালে সেই সম্পর্কে চিড় ধরে। শোনা যায়, সমাজবাদী পার্টির নেত্রী জয়া বচ্চনের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতবিরোধ হয় তাঁর। জয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে সরব হন তিনি। তাতেই গোটা পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কে চিড় ধরে। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে অবশ্য তা নিয়ে আক্ষেপও করতে দেখা যায় অমর সিংহকে।

আরও পড়ুন

Advertisement